শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ঢাকা

মধ্যপ্রাচ্যে ৮.৬ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০২ মে ২০২৬, ০৪:৫৯ পিএম

শেয়ার করুন:

Weapon

মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলোর কাছে ৮ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। ইসরায়েল, কাতার, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে এ অস্ত্র বিক্রি করা হবে। খবর টাইমস অব ইসরায়েল ও ফিন্যান্সিয়াল পোস্টের।

স্থানীয় সময় শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে, এর মধ্যে কাতারের কাছে ৪ বিলিয়ন ডলার মূল্যের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা- প্যাট্রিয়টের সরঞ্জাম এবং ৯৯২ মিলিয়ন ডলার মূল্যের অ্যাডভান্সড প্রিসিশন কিল ওয়েপন সিস্টেমস (এপিকেডব্লিওএস) লেজার গাইডেড রকেট — বিক্রির অনুমোদন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।


বিজ্ঞাপন


এ ছাড়া কুয়েতের কাছে ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের ইন্টিগ্রেটেড ব্যাটল কমান্ড সিস্টেম এবং ইসরায়েলের কাছে ৯৯২ মিলিয়ন ডলার মূল্যের এপিকেডব্লিওএস রকেট বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আর সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে ১৪৭ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলার মূল্যের এপিকেডব্লিওএস রকেট বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

পররাষ্ট্র দফতর আরো জানিয়েছে, কাতার, ইসরায়েল এবং ইউএই-র কাছে এপিকেডব্লিওএস রকেট বিক্রির প্রধান ঠিকাদার বিএই সিস্টেমস। অন্যদিকে কুয়েতের যুদ্ধ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং কাতারের প্যাট্রিয়টের সরঞ্জাম বিক্রির প্রধান ঠিকাদার আরটিএক্স এবং লকহিড মার্টিন। কুয়েতের চুক্তিতে নরথ্রপ গ্রুম্যানও অন্যতম প্রধান ঠিকাদার হিসেবে রয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের ঘোষণাটি এমন এক সময়ে এলো, যখন ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার নয় সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে। আর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় পূর্ণ হয়েছে।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার জানিয়েছেন, তিনি ইরানের সঙ্গে টেলিফোনে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে তেহরানের দেওয়া নতুন প্রস্তাব তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি আরো বলেছেন, যুদ্ধের অবসান নিয়ে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হবে কি না, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন। তার মতে, আলোচনায় অগ্রগতি হলেও চূড়ান্ত সমাধান এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে।


বিজ্ঞাপন


Patriot
আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্যাট্রিয়ট

স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, একটি জরুরি অবস্থা বিদ্যমান রয়েছে, যার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলোতে অবিলম্বে অস্ত্র বিক্রি করা প্রয়োজন।

এদিকে ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে মার্কিন অস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ায় সরবরাহে কিছুটা দেরি হতে পারে বলে এরই মধ্যে যুক্তরাজ্য, পোল্যান্ড, লিথুয়ানিয়া এবং এস্তোনিয়াসহ ইউরোপীয় মিত্রদের জানিয়ে দিয়েছে ওয়াশিংটন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা চালায়। এর জবাবে ইরান ইসরায়েল এবং মার্কিন ঘাঁটি থাকা উপসাগরীয় দেশগুলোতে পাল্টা হামলা চালায়। ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা এবং লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় হাজার হাজার মানুষ নিহত এবং লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

এফএ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর