চলমান যুদ্ধবিরতির সুযোগ নিয়ে মাটির নিচে লুকানো এবং মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম উদ্ধার শুরু করেছে ইরান।
শুক্রবার (১ মে) মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসির বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আলজাজিরা।
বিজ্ঞাপন
এক মার্কিন কর্মকর্তা ও এই বিষয়ে অবগত আরও দুজন ব্যক্তির বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বিমান হামলার পর যেসব ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদ মাটির নিচে বা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছিল, সেগুলো খুঁড়ে বের করতে তেহরান বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে। গত কয়েক দিনে এই তৎপরতা বহুগুণ বাড়ানো হয়েছে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন যদি আবারও সামরিক অভিযান শুরুর সিদ্ধান্ত নেয়, তবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে পাল্টা হামলা চালানোর জন্য ইরান দ্রুত তাদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা পুনর্গঠন করতে চাইছে।
এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা চলার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র আবারো ইরানে হামলা চালাতে পারে। ওয়াশিংটনের ওপর থেকে ইরানের আস্থা ‘পুরোপুরি নষ্ট’ হয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কোর সঙ্গে এক ফোনালাপে মাসুদ পেজেশকিয়ান এ কথা বলেন।
বিজ্ঞাপন
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, পেজেশকিয়ান বলেন, সংলাপ ও কূটনীতি সব সময় ইরানের অগ্রাধিকার তালিকায় ছিল।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, (অতীতে) আলোচনা চলাকালেই যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নবাদী শাসকগোষ্ঠী (ইসরায়েল) দুবার ইরানে হামলা চালিয়েছে। আবারো এ ধরনের হামলার আশঙ্কা রয়েছে। আর এ কারণেই যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ইরান আর কোনো ভরসা রাখতে পারছে না।
অন্যদিকে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিজের জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকে বসার কথা রয়েছে।
হোয়াইট হাউজ সূত্র বলছে, হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করা এবং ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা নিষ্ক্রিয় করার সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপসহ বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন ট্রাম্প।
সূত্র: আলজাজিরা
এমএইচআর




