যুক্তরাষ্ট্র থেকে হাজার হাজার গোলাবারুদ এবং হালকা সাঁজোয়া যানসহ ৬ হাজার ৫০০ টন সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী দুটি পণ্যবাহী জাহাজ ও বেশ কয়েকটি বিমান ইসরায়েলে পৌঁছেছে।
বৃহস্পতিবার ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, গতকাল বুধবার হাইফা ও আসোদ বন্দরে আসা জাহাজে কয়েক হাজার গোলাবারুদ, স্থল অস্ত্র, মিলিটারি ট্রাক, হালকা যুদ্ধযান এবং অন্যান্য সরঞ্জাম ছিল। ইতোমধ্যেই এসব অস্ত্র গোলাবারুদ ট্রাকে করে দেশজুড়ে বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বিবৃতিতে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আমির বারাম বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র থেকে যুদ্ধাস্ত্র আনার প্রক্রিয়া আগামী সপ্তাহগুলোতে অব্যাহত থাকবে এবং আরও আরও জোরদার হবে।’
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, বুধবারের চালানসহ গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ৪০৩টি বিমান ও ১০টি জাহাজে করে ১ লাখ ১৫ হাজার ৬০০ টনেরও বেশি সামরিক সরঞ্জাম ইসরায়েলে এসে পৌঁছেছে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেছেন, ‘মন্ত্রণালয়ের লক্ষ্য হলো এটা নিশ্চিত করা যে ইসরায়েলি সেনাদের কাছে যেন পর্যাপ্ত সামরিক সরঞ্জাম থাকে এবং যেকোনো সময় ও পরিস্থিতিতে শত্রুদের বিরুদ্ধে পূর্ণ শক্তিতে পুনরায় অভিযান চালাতে পারে।’
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের নতুন পরিকল্পনা নিয়ে বৃহস্পতিবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান ব্র্যাড কুপারের কাছ থেকে ব্রিফিং নেবেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বিজ্ঞাপন
একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে অ্যাক্সিওস বলেছে, সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের বিরুদ্ধে ‘স্বল্পস্থায়ী এবং শক্তিশালী’ হামলার পরিকল্পনা তৈরি করেছে। এই পরিকল্পনায় ইরানের অবকাঠামোগত লক্ষ্যবস্তুও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো- হরমুজ প্রণালির একাংশ দখল করা; যাতে এটি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য পুনরায় খুলে দেওয়া যায়। এই অভিযানে স্থল বাহিনীও অন্তর্ভুক্ত হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল
এমএইচআর




