জব্দকৃত ইরানি কার্গো জাহাজের ছয় ক্রুকে ছেড়ে দিলেও আরও ২২ নাবিককে আটকে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার (২৯ এপ্রিল) ছেড়ে দেওয়া ৬ নাবিক নিজ দেশে ফিরেছেন।
ইরানি কর্মকর্তারা আটকে রাখা নাবিকদের মুক্তির জন্য কাজ করছেন। তথ্যটি নিশ্চিত করেছে ইরানের আধা-সরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিম।
বিজ্ঞাপন
তবে নৌযানটির ওই ২২ জন ক্রু ঠিক কবে নাগাদ মুক্তি পাবে, সেই বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। খবর তুর্কি বার্তাসংস্থা আনাদোলুর।
ইরান ঘিরে চলমান নৌ-অবরোধ ভাঙার অভিযোগে ২০ এপ্রিল হরমুজ প্রণালি থেকে ক্রুসহ 'তুসকা' নামের জাহাজটি জব্দ করেছিল মার্কিন বাহিনী।
যুক্তরাষ্ট্রের হেফাজতে থাকা ইরানের পতাকাবাহী ওই কন্টেইনার জাহাজে অভিযানও চালিয়েছে মার্কিন সেনারা।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, মার্কিন নৌ অবরোধের নির্দেশনা মানতে অস্বীকার করায় তাদের নৌবাহিনী ওমান উপসাগর থেকে ‘তুসকা’ নামের ওই জাহাজটি জব্দ করেছে।
বিজ্ঞাপন
২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা শুরু করার পর এই অঞ্চলে সংঘাত তীব্রতর হয়েছে। এর ফলে তেহরান উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক হামলা চালায় এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়।
৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয় এবং এরপর ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে আলোচনা অনুষ্ঠিত হলেও কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

পরবর্তীতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, তেহরানের প্রস্তাব সাপেক্ষে পাকিস্তানের অনুরোধে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।
ইরানের নৌপথ দিয়ে জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞার জবাবে, যুক্তরাষ্ট্র ১৩ এপ্রিল থেকে হরমুজ প্রণালিতে ইরানি নৌযান চলাচল লক্ষ্য করে একটি নৌ অবরোধ আরোপ করেছে।
-এমএমএস




