যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর টানা ৫৭ দিন বন্ধ থাকার পর তেহরানের প্রধান আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বার ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, ইরানের আকাশসীমা পুনরায় খুলে দেওয়ার গত শনিবার থেকে তেহরানের ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইস্তাম্বুল, মাস্কাট এবং সৌদি আরবের মদিনা শহরের উদ্দেশে ফ্লাইটগুলো উড্ডয়ন করেছে।
বিজ্ঞাপন
আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন যেখানে ১০০ থেকে ১৫০টি ফ্লাইট পরিচালিত হতো, বর্তমানে সেই সংখ্যা কমে ১০ থেকে ১৫টিতে নেমেছে। তবে ধীরে ধীরে কার্যক্রম বাড়ছে, টার্মিনালগুলোতেও যাত্রীদের উপস্থিতি বাড়তে শুরু করেছে।
অন্যাদিকে ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল শুরু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলার এবং দেশজুড়ে ব্যাপক অবকাঠামোগত ক্ষতির ধাক্কা কাটিয়ে ওঠারে প্রচেষ্টার একটি অংশ।
এদিকে তেহরানে মেহরাবাদ বিমানবন্দর নামে আরেকটি বিমানবন্দর রয়েছে, যা মূলত অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং সংঘাত চলাকালীন একাধিকবার আক্রান্ত হয়েছিল। এছাড়াও তাবরিজ ও উর্মিয়াসহ দেশের অন্যান্য শহরের বিমানবন্দরেও হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে কয়েকটি বেসামরিক বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞায় আগেই চাপে থাকা ইরানের বিমান খাতের জন্য এই ক্ষতি আরও বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিমানবন্দরে যাত্রীদের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত মিললেও উদ্বেগ কাটেনি। কারও মধ্যে স্বস্তি, কারও মধ্যে অনিশ্চয়তা, মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। কারণ যুদ্ধবিরতি আপাতত টিকে থাকলেও, কিন্তু মানুষ উদ্বিগ্ন যে শান্তি দীর্ঘস্থায়ী হবে, নাকি আবারও সংঘাত শুরু হবে।
বিজ্ঞাপন
সূত্র: আলজাজিরা
এমএইচআর




