যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে ঘটে যাওয়া গুলিবর্ষণের ঘটনায় ইরান জড়িত নয় বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এ ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ এ হামলাকে অত্যন্ত গুরুতর হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি জানান, শিগগিরই এ ঘটনায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হবে।
বিজ্ঞাপন
ওয়াশিংটনের পুলিশপ্রধান জেফরি ক্যারল জানিয়েছেন, সন্দেহভাজন হামলাকারীর কাছে একাধিক অস্ত্র ছিল। তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় আর কোনো সন্দেহভাজনের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
এর আগে ওয়াশিংটন হিলটন হোটেলে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নৈশভোজ চলাকালে এক সশস্ত্র ব্যক্তি নিরাপত্তা বলয় ভাঙার চেষ্টা করেন।
এ সময় সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টরা তড়িঘড়ি করে ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যান।
অনুষ্ঠান থেকে সরিয়ে নেওয়ার প্রায় এক ঘণ্টা পর প্রেসিডেন্ট তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে জানান, ওই বন্দুকধারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তিনি সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করার কথা জানান।
বিজ্ঞাপন
সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, সন্দেহভাজন ব্যক্তি ছিল ‘সম্ভাব্য আততায়ী’। তার কাছে একাধিক অস্ত্র ছিল। লোকটি সিকিউরিটি চেকপোস্ট ভেঙে ভেতরে চলে এসেছিল। ‘আমাদের একজন অফিসার গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তবে তিনি বেঁচে গেছেন কারণ তিনি একটা খুব ভালো বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরা ছিলেন।’
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আজ রাতে যা কিছু হয়েছে আমরা তা খতিয়ে দেখেছি। আমি বলব, এই ভবন খুব একটা নিরাপদ নয়।’ আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এই অনুষ্ঠানের নতুন সময়সূচি দেওয়া হবে এবং তা হবে আগের চেয়ে আরও আকর্ষণীয়।
এ ছাড়া পরিস্থিতির খবর প্রচারের ক্ষেত্রে সংবাদমাধ্যম যে অত্যন্ত ‘দায়িত্বশীল’ ভূমিকা পালন করেছে, সেজন্য তিনি সাংবাদিকদেরও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এই ঘটনাটি ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের জন্য একটি অত্যন্ত ট্রমাটিক অভিজ্ঞতা ছিল।
প্রেসিডেন্ট জানান, শুরুতে তিনি অনুষ্ঠান ছেড়ে যেতে চাননি। তিনি বলেন, আমি থাকার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলাম।
এআরএম




