মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

হরমুজের পর এবার বন্ধ হচ্ছে বাব আল-মান্দেব প্রণালি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১১ পিএম

শেয়ার করুন:

হরমুজের পর এবার বন্ধ হচ্ছে বাব আল-মান্দেব প্রণালী 

ইয়েমেনের হুতি সরকারের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুসেন আল-এজ্জি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি শান্তি প্রক্রিয়ায় বাধা দিতে থাকেন, তাহলে হুতি বিদ্রোহীরা গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ করে দেবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। খবর আল জাজিরার।


বিজ্ঞাপন


বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন, ইয়েমেন যদি বাব আল-মান্দেব বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে সমগ্র মানবজাতি ও জিন কেউই তা খুলতে সক্ষম হবে না।

তাই ট্রাম্প এবং যারা এতে জড়িত, তাদের উচিত দ্রুত এমন সব কার্যক্রম ও নীতি বন্ধ করা, যা শান্তির পথে বাধা সৃষ্টি করছে। আমাদের জনগণ ও দেশের অধিকারকে সম্মান করা উচিৎ।

বাব আল-মান্দেব প্রণালি লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে এবং এটি বিশ্ব বাণিজ্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ। এই পথ দিয়েই জাহাজগুলো সুয়েজ খালের দিকে যায়।

প্রণালিটির সবচেয়ে সরু অংশ মাত্র ২৯ কিলোমিটার (১৮ মাইল) চওড়া, যার ফলে জাহাজ চলাচল দুটি আলাদা চ্যানেলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়—একটি প্রবেশের জন্য, অন্যটি বের হওয়ার জন্য।


বিজ্ঞাপন


বিশ্বের জ্বালানি ও পণ্য পরিবহনের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রুট, বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে ইউরোপে তেল ও জ্বালানি পরিবহন এবং এশিয়ার দিকে বিভিন্ন পণ্য পাঠানোর ক্ষেত্রে।

এদিকে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড মেরামতের পর ভূমধ্যসাগর থেকে লোহিত সাগরে পৌঁছেছে।

জানা যায়, সুয়েজ খাল পাড়ি দিয়ে লোহিত সাগরে পৌঁছেছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ রণতরীটি। মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

রণতরীটির সঙ্গে আরো দুটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ার ‘ইউএসএস মাহান’ ও ‘ইউএসএস উইনস্টন এস চার্চিল’ মধ্যপ্রাচ্যের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই রণতরী অগ্নিকাণ্ডের শিকার হয়ে মেরামতের উদ্দেশ্যে দীর্ঘ এক মাসেরও বেশি সময় ধরে ভূমধ্যসাগরে অবস্থান করছিল। 

সংস্কারকাজ শেষে এটিকে আবার মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ কবলিত অঞ্চলের দিকে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়।  

তারা আরো জানায়, এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করা। বিশেষ করে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ না বাড়লে সম্ভাব্য হামলায় ব্যবহৃত হবে রণতরীটি। 

-এমএমএস

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর