পুলিশি হেফাজতে কোভিডবিধি অমান্য করার দায়ে গ্রেফতার করা বাবা ও ছেলেকে পিটিয়ে খুনের মামলায় ইনস্পেক্টর পদমর্যাদার এক কর্মকর্তাসহ ৯ জন পুলিশকর্মীর ফাঁসির সাজা ঘোষণা করল ভারতের তামিলনাড়ুর একটি আদালত।
রায়ে বিষয়টিকে চরম নির্মমতা এবং ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবে চিহ্নিত করে ‘অত্যন্ত বিরল অপরাধ’ বলা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
যাদের সাজা হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছে ইনস্পেক্টর এস শ্রীধর, সাব-ইনস্পেক্টর পি রঘু গণেশ এবং কে বালাকৃষ্ণন, হেড কনস্টেবল এস মুরুগান এবং এ সামাদুরাই ও কনস্টেবল এম মুধুরাজ, এস চেল্লাদুরাই, এক্স থমাস ফ্রান্সিস ও এস ভেইলুমুতো।
দশম অভিযুক্ত বিশেষ সাব-ইনস্পেক্টর পলদুরাইয়ের মামলা চলাকালীন কোভিডে মৃত্যু হয়েছিল।
২০২০ সালের জুন মাসে মাদুরাইয়ের সাতানকুলমে পুলিশি হেফাজতে পিটিয়ে খুন করা হয়েছিল ব্যবসায়ী পি জয়রাজ (৫৯) এবং তার ছেলে জে বেন্নিক্সকে (৩১)।
বিজ্ঞাপন
অভিযুক্তদের কোভিডবিধি অমান্য করার দায়ে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ছয় বছরের শুনানির পরে এক সঙ্গে নয় পুলিশকর্মীর ফাঁসির সাজা ঘোষণা হল। যা ভারতের ইতিহাসে কার্যত বিরল।
বিচারক জি মুধুকুমারন এই মামলার তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই-এর যুক্তিতে সায় দিয়ে জানিয়েছেন, পুলিশি হেফাজতে নির্যাতন পূর্বপরিকল্পিত ছিল এবং রাতভর চালানো হয়েছিল।
অপরাধীদের এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রাপ্য বলে জানিয়েছেন বিচারক। প্রসঙ্গত, এর আগে ১৯৯৯ সালে তামিলনাড়ুর তুতিকোরিনের থালামুথু নগর থানায় তিন অভিযুক্তকে পিটিয়ে খুনের ঘটনায় এক ডিএসপিসহ তামিলনাড়ু পুলিশের নয়জনের যাবজ্জীবন কারাবাসের সাজা হয়েছিল।
-এমএমএস

