শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

জর্ডান কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন স্থাপনায় ইরানের হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২৯ এএম

শেয়ার করুন:

জর্ডান কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন স্থাপনায় ইরানের হামলা

ইরানের একটি কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে মার্কিন হামলার জবাবে উপসাগরীয় এলাকার দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ভোর থেকে ভয়াবহ হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

এর মধ্যে জর্ডান, কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন স্থাপনায় শুক্রবার দফায় দফায় ভয়াবহ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর শনিবার (৪ এপ্রিল) ভোর থেকে দুবাইয়েও হামলা শুরু করেছে ইরানের সেনাবাহিনী। খবর তাসনিম নিউজের।  


বিজ্ঞাপন


সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক রাজধানী দুবাইয়ের সবচেয়ে অভিযাত এলাকা দুবাই মেরিনাতে হামলা চালিয়েছে ইরান। 

এরপর সেটি প্রতিহত করার চেষ্টা করে আমিরাত। তবে প্রতিহত করা মিসাইল বা ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ দুবাই মেরিনার একটি ভবনে গিয়ে আঘাত হানে। ওই এলাকাটিতে সবচেয়ে বেশি ইহুদিদের বসবাস। 

তাছাড়া, দুবাইয়ের মেরিনা এলাকার কয়েকটি বিলাসবহুল হোটেলে মার্কিন সেনারা পালিয়ে আছে বলেও ইরানের কাছে তথ্য রয়েছে।

ইরানের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শুক্রবার ভোর থেকে শুরু হওয়া ড্রোন হামলায় জর্ডান ও কুয়েতে অবস্থিত রসদ ও সহায়ক স্থাপনা, মার্কিন সামরিক কর্মীদের ক্যাম্প এবং বাহরাইনে মার্কিন সামরিক শিল্পকে সহায়তাকারী বৃহত্তম অ্যালুমিনিয়াম গলানোর কারখানাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

ইরান জানিয়েছে, মার্কিন সেনাবাহিনীর আগ্রাসী কর্মকাণ্ড এবং ইরানের অবকাঠামো- যার মধ্যে ইসফাহান ও খুজেস্তানের ইস্পাত কমপ্লেক্সের মতো শিল্প খাত ও প্রধান স্থাপনা এবং কারাজের বি-১ সেতুতে হামলার জবাবে এই পাল্টা হামলা চালানো হয়েছে।

এ ছাড়া, কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজানে মোতায়েনকৃত একটি মার্কিন সাঁজোয়া ব্রিগেডের যান্ত্রিক ব্যাটালিয়নের অবস্থান এবং বাহরাইনের বৃহত্তম অ্যালুমিনিয়াম গলানোর কারখানা, যা মার্কিন সামরিক শিল্পের সহায়তায় চলে- এগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ক্যাম্প আরিফজান বিভিন্ন সাঁজোয়া যানের জন্য একটি প্রধান রসদ ঘাঁটি হিসেবে কাজ করে এবং এখানে পদাতিক ব্রিগেড ও ফিল্ড সাপোর্ট ফোর্সসহ একাধিক মার্কিন ইউনিট অবস্থান করে।

২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ইসলামী বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ আলী খামেনি এবং বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন সামরিক কমান্ডার ও বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করার পর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলি সরকার ইরানের বিরুদ্ধে একটি বড় আকারের বিনা উস্কানির সামরিক অভিযান শুরু করে।

এই হামলায় ইরানজুড়ে সামরিক ও বেসামরিক উভয় স্থানেই ব্যাপক বিমান হামলা চালানো হয়েছে, যার ফলে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে এবং অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

এর জবাবে, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী পাল্টা অভিযান চালিয়ে আসছে এবং ফিলিস্তিনের অধিকৃত অঞ্চল ও মার্কিন আঞ্চলিক ঘাঁটিগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি অবস্থানগুলোকে হামলার লক্ষ্যবস্তু করছে।

-এমএমএস

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর