ইরানে ‘সরকার বদলানো’ যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, তার মূল উদ্দেশ্য ছিল ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা। তার সেই লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে। ইরানের কাছে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নেই।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এসব কথা বলেন।
বিজ্ঞাপন
ইরান যুদ্ধ ২-৩ সপ্তাহেই শেষ হতে পারে জানিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ ‘দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে’ শেষ করা সম্ভব। এ জন্য ইরানকে কোনো চুক্তিতে আসতেই হবে-এমন কোনো বাধ্যবাধকতাও নেই।
আমরা তাদের সব সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করতে চাই। তবে এর আগেও একটি চুক্তি হতে পারে। ইরান চুক্তিতে না আসলেও যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ থেকে বের হয়ে যাবে বলে জানান ট্রাম্প।
‘ইরান চুক্তি করুক বা না করুক, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান পরিবর্তন হবে না। যুক্তরাষ্ট্র খুব দ্রুতই ইরানে চালানো সামরিক অভিযান গুটিয়ে নিতে পারে।–বলেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেন, সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলায় দেশটি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। এসব হামলার পর ইরানের ঘুরে দাঁড়াতে ১৫ থেকে ২০ বছর সময় লাগতে পারে।
‘আমরা তাদের যতটা সম্ভব দুর্বল করতে চাই। আমরা তাদের অনেক পেছনে ঠেলে দিয়েছি। আমরা যা করেছি, সেখান থেকে পুনর্গঠনে তাদের ১৫ থেকে ২০ বছর লাগবে।’-বলেন ট্রাম্প।
ইরানের সামরিক শক্তি নিয়েও কথা বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্পের দাবি, দেশটির নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও টেলিযোগাযোগ সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইরান চুক্তির জন্য বারবার অনুরোধ করছে দাবি করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরান যুদ্ধ বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রর ‘সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে’ আছে এবং পরিস্থিতি পক্ষে রয়েছে।
এর আগে ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প। একইসঙ্গে মার্কিন বাহিনী যুদ্ধ থেকে সরে গেলে হরমুজ প্রণালি স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলে যাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এমআর

