জেন-জি আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির চেয়ারম্যান কেপি শর্মা অলিকে গ্রেফতারের পর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে গ্রেফতারের পর মহারাজগঞ্জের ত্রিভুবন ইউনিভার্সিটি টিচিং হসপিটালে (টিইউটিএইচ) নেওয়া হয়। খবর দ্য কাঠমান্ডু পোস্টের।
বিজ্ঞাপন
টিইউটিএইচ-এর চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দু'বার কিডনি প্রতিস্থাপন করা অলিকে হৃদ্রোগ বিশেষজ্ঞ ও বৃক্ক বিশেষজ্ঞদের একটি দল পর্যবেক্ষণে রাখছে।
তার চিকিৎসায় জড়িত একজন চিকিৎসক বলেন, হাসপাতালে আসার সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী পেটে ব্যথা ও হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাওয়ার কথা জানান। প্রাথমিক এক্স-রেতে তার পেটে একটি পাথর ধরা পড়েছে, যা এই ব্যথার কারণ হতে পারে।
এর আগে, গত বছরের ৮-৯ সেপ্টেম্বর হওয়া জেন-জি বিক্ষোভ মোকাবিলায় রাষ্ট্রের ভূমিকা তদন্তে গঠিত হওয়া উচ্চ পর্যায়ের কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়নে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এছাড়া আরও গ্রেফতার হয়েছেন দেশটির সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখক। তার পরিবার জানিয়েছে, লেখক বর্তমানে মহারাজগঞ্জে নেপাল পুলিশের ২ নম্বর ব্যাটালিয়নে আটক আছেন।
নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বলেন্দ্র শাহের গত শুক্রবার শপথ নেওয়ার পরদিনই অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হলো। নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদন গুরুং জানিয়েছেন, এটি কারও বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নয়, বরং নিহত ও আহতদের জন্য ন্যায়বিচারের সূচনামাত্র।
২০২৫ সালে নেপালে দুর্নীতিবিরোধী এক ভয়াবহ ছাত্র-যুব বিদ্রোহ শুরু হয়, যা পরবর্তীতে সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয়। ওই সময় বিক্ষোভ দমনে পুলিশের গুলিতে অন্তত ৭৭ জন নিহত হন।
-এমএমএস

