বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ঢাকা

ভারতে পেট্রোল পাম্পে বিক্রি হচ্ছে মদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৭ মার্চ ২০২৬, ১০:১০ পিএম

শেয়ার করুন:

ভারতে পেট্রোল পাম্পে বিক্রি হচ্ছে মদ

নতুন আবগারি নীতির আওতায় পেট্রোল পাম্প ও ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে মদ বিক্রির সুযোগ চালু করেছে উত্তর-পশ্চিম ভারতের শহর চণ্ডীগড়। এর ফলে প্রচলিত দোকানের বাইরে খুচরা মদের বিক্রয় ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা শিথিল হচ্ছে। এতে শহরে বাসিন্দাদের জন্য মদ কেনা আরও সহজ হবে। 

চণ্ডীগড়ের ডেপুটি কমিশনার নিশান্ত কুমার যাদব জানান, বাসিন্দাদের আর শুধুমাত্র ‘ঠেকা’ নামে পরিচিত নির্দিষ্ট মদের দোকানের উপর নির্ভর করতে হবে না। এর পরিবর্তে, কঠোর যোগ্যতার মানদণ্ড সাপেক্ষে শহর জুড়ে নির্বাচিত পেট্রোল পাম্প এবং বড় ডিপার্টমেন্টাল স্টোরগুলোতে মদ পাওয়া যাবে। তবে লাইসেন্স পেতে হলে তাদের কঠোর শর্ত পূরণ করতে হবে। শুধুমাত্র সেইসব ডিপার্টমেন্টাল স্টোর বা পেট্রোল পাম্পই যোগ্য বলে বিবেচিত হবে, যাদের বার্ষিক জিএসটি টার্নওভার ৩ কোটি রুপির বেশি।

কর্মকর্তারা বলছেন, এই পদক্ষেপটি চণ্ডীগড়ের মদের খুচরা বিক্রয় ব্যবস্থাকে আধুনিক করার জন্য নেওয়া হয়েছে, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা যায়। যেখানে মদ নির্দিষ্ট দোকান ছাড়াও খুচরা দোকানগুলোতে পাওয়া যায়।

ডেপুটি কমিশনারের মতে, এই নীতির লক্ষ্য হলো মদ কেনাকে আরও সহজলভ্য করা, বিশেষ করে নারী ও প্রবীণ ক্রেতাদের জন্য কেনাকাটা আরও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ হবে, কারণ অনেকেই প্রচলিত মদের দোকানে যেতে অস্বস্তি বোধ করেন।

বর্তমানে চণ্ডীগড়ে পেট্রোল পাম্পের ভেতরে বড় ডিপার্টমেন্টাল স্টোর না থাকলেও ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান চালু হলে এবং নির্ধারিত শর্ত পূরণ করলে তারা লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবে। একই নিয়ম স্বতন্ত্র পেট্রোল পাম্পের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

এদিকে আশপাশের রাজ্যগুলোর সময়সূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মদ বিক্রির সময় সীমাও বাড়িয়েছে কর্তৃপক্ষ। এখন থেকে মদের দোকানগুলো মধ্যরাত পর্যন্ত খোলা রাখতে পারবে মালিকরা। 

প্রশাসন জানিয়েছে, বর্তমানে মাত্র চারটি মদের দোকান এখনো নিলামে ওঠেনি এবং ১ এপ্রিলের মধ্যে সবগুলো চালু করার চেষ্টা চলছে। এছাড়াও পূর্ববর্তী আবগারি শুল্ক চক্রে সৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা এড়াতে প্রশাসন একটি নতুন আর্থিক সুরক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছে। নতুন নীতিতে লাইসেন্স পেতে আগ্রহীদের সম্ভাব্য বার্ষিক আয়ের ১৭ শতাংশ অগ্রিম জমা দেওয়ার শর্ত রাখা হয়েছে। এতে লাইসেন্সধারীদের দায়বদ্ধতা বাড়বে এবং মাঝপথে চুক্তি বাতিলের ঝুঁকি কমবে।

এদিকে নতুন নীতিটি ইতোমধ্যেই আর্থিক সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছে, সাম্প্রতিক বরাদ্দ থেকে প্রশাসন অতিরিক্ত ১৫০ কোটি টাকা রাজস্ব অর্জন করেছে।

সূত্র: এনডিটিভি


এমএইচআর

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর