মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা একটি সরাসরি বৈঠকের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ওয়াডেফুল। পাকিস্তানে এই বৈঠক অনুঠিত হতে পারে বলেও জানান তিনি।
শুক্রবার রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম ডয়েচলান্ডফুঙ্ক রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।
বিজ্ঞাপন
ওয়াডেফুল বলেছেন, তেহরান ও ওয়াশিংটন ইতোমধ্যে পরোক্ষ যোগাযোগ করেছে এবং এখন সরাসরি আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তার বিশ্বাস বৈঠকটি ‘খুব শিগগিরই পাকিস্তানে’ অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি আরও বলেন, তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে ইতোমধ্যেই লিখিতভাবে বৈঠকের প্রাথমিক অবস্থান বিনিময় করা হয়েছে। তবে কারা এই পুরো বিষয়টিতে সহায়তা করেছে তা তিনি ঠিক জানেন না।
শুক্রবার ফ্রান্সে জি৭ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সম্ভবত এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য জানাবেন বলে উল্লেখ করেন জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
বিজ্ঞাপন
এদিকে, পাকিস্তানের শীর্ষ এক কূটনীতিক বলেছেন, ওয়াশিংটন ও তেহরান পরস্পরের বিপরীতমুখী প্রস্তাব দিলেও দুই দেশের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা এখনও চলছে।
এর আগে ইসলামাবাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এএফপিকে জানিয়েছিলেন, চলমান যুদ্ধে ইতি টানার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ১৫-দফা প্রস্তাব পাকিস্তানের মাধ্যমে তেহরানে পাঠানো হয়েছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে সংযোগের কারণে সম্ভাব্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে পাকিস্তানকে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার উভয়েই ইরানের ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি তাদের উপসাগরীয় মিত্র, বিশেষ করে সৌদি আরবের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।
দেশটির কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, পাকিস্তান শক্তিশালী সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরও কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় সমানভাবে জড়িত রয়েছেন এবং গত রোববার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি।
সূত্র: আলজাজিরা, বিবিসি
এমএইচআর

