রোববার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ঢাকা

‘শত্রু দেশ ছাড়া’ হরমুজ প্রণালি সবার জন্য উন্মুক্ত: ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ২২ মার্চ ২০২৬, ০৫:০০ পিএম

শেয়ার করুন:

‘শত্রু দেশ ছাড়া’ হরমুজ প্রণালী সবার জন্য উন্মুক্ত: ইরান

বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি ইরানের ‘শত্রু দেশ ছাড়া’ সবার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) স্থায়ী প্রতিনিধি আলী মুসাভি।

রোববার (২২ মার্চ) চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা সিনহুয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই তথ্য জানান তিনি।


বিজ্ঞাপন


মুসাভি বলেছেন, যেসব জাহাজের সঙ্গে ইরানের শত্রুদের সংশ্লিষ্টতা নেই তারা সহজেই হরমুজ প্রণালি দিয়ে যেতে পারবে। অন্য দেশের জাহাজ ইরানের সঙ্গে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পন্ন করার পর হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, ইরানের জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতিগুলোকেও সম্মান করতে হবে।

হরমুজ প্রণালি ও নাবিকদের নিরাপত্তা বাড়াতে ইরান আইএমও এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।

মুসাভি জোর দিয়ে বলেছেন, ‘হরমুজ প্রণালির বর্তমান পরিস্থিতি ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের ফল। আন্তর্জাতিক সংকট সমাধানে কূটনীতি বরাবরই ইরানের অগ্রাধিকার হলেও, আগ্রাসন বন্ধ করা ইরানি জাতির কাছে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ’। 

এদিকে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই সময়ে মধ্যে হরমুজ প্রণালি না খুলে দিলে ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা শুরু হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। 

স্থানীয় সময় শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইরান যদি এই মুহূর্ত থেকে ঠিক ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কোনো প্রকার হুমকি ছাড়াই হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে খুলে না দেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে শুরু করে একে একে বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালাবে এবং সেগুলো মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেবে’।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানে যৌথ হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এরপর ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। ফলে ওই জলপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে, যা তেলের বাজারকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলেছে।

এছাড়া চলমান যুদ্ধের ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলে তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর মধ্যে সৌদি আরব, ইরাক, আরব আমিরাত এবং কুয়েত উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে। এতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েই চলেছে। 

সূত্র: প্রেসটিভি

এমএইচআর

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর