হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজ-ট্যাংকার জাহাজগুলোকে পাহারা দিতে জাপান-সহ যে ৬ মিত্রদেশকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ফান্সের পর তা ইতোমধ্যেই প্রত্যাখ্যান করেছে জাপান।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি এক বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজগুলোকে নিরাপত্তা দিতে সেখানে নিজেদের নৌবাহিনীর কোনো জাহাজ পাঠানোর পরিকল্পনা টোকিওর নেই। খবর আল-জাজিরার
বিজ্ঞাপন
গত ১৩ মার্চ নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা এক বার্তায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী শিগগিরই হরমুজ প্রণালীতে চলাচলকারী তেলবাহী জাহাজগুলোকে পাহারা দেওয়া শুরু করবে।
তবে গত ১৫ মার্চ ট্রাম্প এই কাজে জাপান-সহ মিত্র ৬ দেশকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। বাকি দেশগুলো হলো চীন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ব্রিটেন।
ট্রুথ সোশ্যালে এই বার্তা পোস্ট করার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেন, আমি চাই এই দেশগুলো এগিয়ে আসুক এবং নিজেদের এলাকা রক্ষা করুক; কারণ এটা (হরমুজ প্রণালী) তাদের এলাকা, এই এলাকা থেকেই তারা তাদের জ্বালানির সরবরাহ পায়।
বিজ্ঞাপন
এদিকে ট্রাম্পের এই আহ্বানের পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এ ইস্যুতে বিবৃতি আসে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির দপ্তর থেকে।
সেই বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি বলেন, “আমরা এখনও (হরমুজ প্রণালীতে) নিরাপত্তা জাহাজ পাঠানোর কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি। আইনি ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যে জাপান স্বাধীনভাবে কী কী করতে পারে, সে সম্পর্কে আমরা চিন্তাভাবনা করছি।
জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমিও একই বক্তব্য জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা এক বার্তায় তিনি বলেছেন, আমরা কী করতে পারি এবং বর্তমান পরিস্থিতি আমদের তা করা উচিত কিনা— সেটি অবশ্যই আলাদা বিষয়।
ট্রাম্পের আহ্বানের পর প্রথম দেশ হিসেবে তা প্রত্যাখ্যান করে ফ্রান্স, তারপর করল জাপান। অন্যন্য দেশুগুলো এখনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
-এমএমএস

