স্পেন ফিলিস্তিনের গাজায় চালানোর গণহত্যা ও ইরানের ওপর আমেরিকা-ইসরায়েলের যৌথ হামলার প্রতিবাদ করেছিল আগেই।
এবার ইসরায়েলের সঙ্গে স্থায়ীভাবে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা করল। রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহারের পাশাপাশি ইসরায়েলের দূতাবাসটিও ‘স্থায়ী ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে’ বলে বুধবার জানিয়েছে স্পেন সরকার।
বিজ্ঞাপন
আপাতত জরুরি কাজগুলি পরিচালনার জন্য দূতাবাসে এক জন ‘চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স’ থাকবেন। অন্য দিকে, পশ্চিম এশিয়ায় অশান্তির জন্য বুধবার আমেরিকার দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন ইটালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি!
ইরানের বিরুদ্ধে নিজেদের দেশের জমি ব্যবহার করতে না দেওয়ার ‘অপরাধে’ ইতিমধ্যেই স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমেরিকা।
গত ৪ মার্চ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওই ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু তাতে দমে না গিয়ে এবার আমেরিকার সামরিক মিত্র ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করল স্পেন।
আরও পড়ুন:
এর আগে ২০২৪ সালের ২৪ মে ওয়াশিংটন এবং তেলআবিবের আপত্তি উপেক্ষা করে স্পেন আনুষ্ঠানিক ভাবে ফিলিস্তিনকে ‘স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র’ হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছিল। যা নিয়ে তেলআবিব এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে মাদ্রিদের সংঘাত প্রকাশ্যে চলে আসে।
‘ট্রাম্পের মিত্র’ হিসাবে পরিচিত ইতালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনিও বুধবার ইরানে হামলার জন্য নিশানা করেছেন আমেরিকাকে।
তিনি বলেন, এমন সামরিক হস্তক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী একটি বিপজ্জনক প্রবণতা। মেলোনির উদ্যোগে বুধবার যুদ্ধবিরতির আবেদন জানিয়ে একটি প্রস্তাবও পাশ করেছে ইতালির পার্লামেন্ট।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর ইসরায়েল ও আমেরিকার বিমান হামলা (যার পোশাকি নাম যথাক্রমে ‘অপারেশন লায়নস রোর’ এবং ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’) শুরু করেছিল।
মার্কিন যুদ্ধবিমান থেকে নিক্ষেপ করা ‘বাঙ্কার ব্লাস্টার’ বোমায় মৃত্যু হয়েছিল ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির। সেই সময়ই জখম হন তার স্ত্রী খোজাস্তেহ বাঘেরজাদেহ। পরে তার মৃত্যু হয়।
মাদ্রিদ সেসময়ই স্পষ্ট জানিয়েছিল, এমন সামরিক হস্তক্ষেপে তাদের সায় নেই। এবার একই বার্তা এল রোমের পক্ষ থেকেও।
-এমএমএস

