যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানে এখন পর্যন্ত ৩ হাজার টার্গেটে হামলা চালানোর দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সেন্ট্রাল কমান্ড আজ শনিবার (৭ মার্চ) এ তথ্য জানিয়েছে।
মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে এক পোস্টে সেন্ট্রাল কমান্ড বলেছে, গত ২৮ ফেব্রয়ারি শুরু হওয়া অপারেশন এপিক ফিউরিতে ইরানের ৪৩টি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত অথবা ধ্বংস করা হয়েছে। খবর বিবিসির।
বিজ্ঞাপন
সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, হামলার ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে ইরানের সেসব অঞ্চলকে যেখান থেকে তাদের ওপর যে কোনো সময় হামলা হতে পারে। এসব হামলার লক্ষ্য হলো ইরানের নিরাপত্তাবাহিনীর সরঞ্জাম ধ্বংস করা।
তবে সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, তারা এখন পর্যন্ত ইরানের বেশ কয়েকটি স্কুল, হাসপাতাল এবং বেসামরিক স্থাপনায় হামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে।
যার অর্থ মার্কিন সেনারা ইরানে শুধুমাত্র সামরিক স্থাপন না, সাধারণ মানুষের ওপর হামলা চালিয়েছে। এরমধ্যে শুধুমাত্র মেয়েদের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়েই শিক্ষার্থীসহ ১৬৫ জন নিহত হয়েছেন।
আরও পড়ুন:
এদিকে, শুক্রবার রাতভর ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে ভয়াবহ মিসাইল হামলা চালিয়েছে ইরান। এমন সব মিসাইল ছোঁড়েছে ইরান, যা আগে কখনও দেখেনি ইসরায়েল।
ইরান জানায়, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪'-এর ২২তম ধাপ শুরু করেছে। খোররামশাহর-৪, খাইবার এবং ফাত্তাহ ক্ষেপণাস্ত্রের একটি বিশাল বহর নিয়ে মধ্য ইসরায়েলে এই হামলা চালানো হয়েছে।
এক ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা প্রকাশ করেছেন যে, ইরান এ পর্যন্ত মূলত এক দশকের পুরনো ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে এবং দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের জন্য নতুন উন্নত অস্ত্র প্রস্তুত রাখছে।
সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল বাংলাদেশ সময় শনিবার ভোর প্রায় ৫টার দিকে জানায়, ইসরায়েলের বীরসিবাতে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
এই বিস্ফোরণের আগে ইরান মিসাইল ছোড়ে। এর প্রভাবে মধ্য ইসরায়েলে সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে।
-এমএমএস

