রোববার, ১ মার্চ, ২০২৬, ঢাকা

কুয়েত বিমানবন্দর ও দুবাইয়ে ইরানের ড্রোন হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৩৬ পিএম

শেয়ার করুন:

Hamla
ছবির বামে কুয়েত বিমানবন্দর, ডানে দুবাইয়ের হোটেলে হামলার পরের দৃশ্য

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের মাঝে কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও দুবাইয়ের দ্য পাম এলাকার একটি হোটেলে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। 

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বার্তাসংস্থা এএফপি ও আল জাজিরা সূত্রে এ খবর জানা গেছে। 


বিজ্ঞাপন


কুয়েতের বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ড্রোন হামলায় কিছু কর্মী সামান্য আহত হয়েছেন এবং সীমিত অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

সরকারি বিবৃতিতে সংস্থাটির মুখপাত্র আব্দুল্লাহ আল-রাজি বলেছেন, হামলার পর পর কর্তৃপক্ষ জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত স্থানটিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে বিকট শব্দ শোনা গেছে। বার্তাসংস্থা এএফপির সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, শনিবার সন্ধ্যার দিকে দুবাই কেঁপে ওঠে। এক সাংবাদিক বলেছেন, তারা শহর থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলি বের হতে দেখেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, মিসাইল সদৃশ বস্তু সরাসরি আঘাত হানছে দুবাইয়ের পাম এলাকার একটি হোটেল। বস্তুটি আঘাত হানার সঙ্গে ওই এলাকাটি আগুনের ফুলকিতে আলোকিত হয়ে ওঠে। ওই সময় প্রচণ্ড জোরে শব্দও হয়। পরে জানা যায়, বস্তুটি ছিল একটি ড্রোন।


বিজ্ঞাপন


শনিবার সকালে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে যৌথ হামলা চালায়। এরপর পাল্টা হামলা হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন জায়গায় অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে মিসাইল হামলা শুরু করে ইরান। যার মধ্যে আরব আমিরাতের আবুধাবি ও দুবাই উল্লেখযোগ্য। 

এদিন সকালে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই দুটি জায়গায় একাধিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ইরানের ৩১ প্রদেশের ২০টিতেই হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল। ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এই তথ্য জানিয়েছে।  

সংস্থাটির মুখপাত্র মোজতবা খালেদি বলেছেন, ‘‌এখন পর্যন্ত ২০টিরও বেশি প্রদেশ হামলার শিকার হয়েছে।’

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, ইরানে ইসরায়েলি ও মার্কিন হামলার সঙ্গে জড়িত সব স্থাপনা এখন ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনীর ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে’ পরিণত হবে। 

দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেছেন, ‌‌ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সেসব স্থানকে বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করছে, যেখান থেকে মার্কিন ও ইহুদিবাদী ইসরায়েলের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। একই সঙ্গে ইরানের প্রতিরক্ষা কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত সব স্থাপনাও আমাদের লক্ষ্যবস্তুর অন্তর্ভুক্ত।

এদিকে, দক্ষিণ ইরানে একটি স্কুলে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এখন পর্যন্ত ৮৫ জন শিক্ষার্থী নিহতের খবর জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানা গেছে।

এএইচ

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর