ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা বাহিনীতে আজারবাইজান কোনো সেনাদল পাঠাবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ।
সোমবার আজেরি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আলিয়েভ বলেন, গাজা বা দেশের সীমান্তের বাইরে যেকোনো শান্তিরক্ষা অভিযান পরিচালনার জন্য কোনো সৈন্য পাঠানোর পরিকল্পনা রাখে না।
বিজ্ঞাপন
তিনি জানান, আজারবাইজান মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং গাজায় শান্তিরক্ষা বাহিনীর সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত প্রশ্ন তালিকা পাঠিয়েছে।
আলিয়েভ আরও বলেন, ‘আমরা ২০টিরও বেশি প্রশ্নের একটি প্রশ্নপত্র প্রস্তুত করেছি এবং আমেরিকান পক্ষকে প্রদান করেছি। শান্তিরক্ষা বাহিনীতে অংশগ্রহণের কোনো কল্পনা করা হয়নি। আমি আজারবাইজানের বাইরে কোনো যুদ্ধে অংশগ্রহণের কথা মোটেও ভাবছি না।’
প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে গত অক্টোবরে শুরু হওয়া গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তির ২০ দফা পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান দিক হলো মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর সেনা নিয়ে গঠিত এই আন্তর্জাতিক বাহিনী।
বিজ্ঞাপন
ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্সে (আইএসএফ) নামে বাহিনীর দায়িত্বের মধ্যে গাজার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বজায় রাখা, হামাসকে নিরস্ত্র করা, সীমান্ত পারাপার নিয়ন্ত্রণ করা এবং একটি অন্তর্বর্তীকালীন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে মানবিক ত্রাণ ও পুনর্গঠন কার্যক্রম পরিচালনা করার মতো বিষয়গুলো থাকবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন গাজায় মার্কিন সেনা না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেও ইন্দোনেশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর, কাতার, তুরস্ক ও আজারবাইজানসহ কয়েকটি দেশের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। যাতে তারা এই বহুজাতিক বাহিনীতে অংশ নেয়।
তবে গত নভেম্বরে আজারবাইজান সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছিল, ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে যুদ্ধ সম্পূর্ণ বন্ধ না হলে আজারবাইজান এই ধরনের অভিযানের জন্য কোনও সেনা পাঠাবে না।
সূত্র: রয়টার্স
এমএইচআর

