মাদক ও অস্ত্র চোরাচালানের মামলায় ভেনেজুয়েলার বন্দি প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে নিউইয়র্কের একটি আদালতে হাজির করেছে মার্কিন বাহিনী।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার সকাল ৭টার দিকে সশস্ত্র রক্ষীরা মাদুরো এবং তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে ব্রুকলিনের একটি আটক কেন্দ্র থেকে একটি হেলিকপ্টারে করে ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে নিয়ে গেছে। যেখানে স্থানীয় সময় দুপুরে তাদের শুনানির মুখোমুখি হতে হবে।
বিজ্ঞাপন

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, ৯২ বছর বয়সী বিচারক অ্যালভিন কে হেলারস্টেইনের আদালতে তোলা হবে মাদুরো ও তার স্ত্রীকে।
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, মাদুরোক হেলিকপ্টার থেকে টেনেহিঁচড়ে নামানো হচ্ছে। হাতে হাতকরা পড়ার কারণে তিনি হেলিকপ্টার থেকে নামতে পারছিলেন না। ফলে তাকে অনেকটা টেনে নামানো হয়। হেলিকপ্টার থেকে নামিয়ে কড়া পাহারায় আদালতে নেওয়া হয়। এসময় মাদুরোকে খুঁড়িয়ে হাটতে দেখা যায়।

বিজ্ঞাপন
মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডি জানিয়েছেন, মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক-সন্ত্রাসবাদ, কোকেন আমদানি, মেশিনগান ও ধ্বংসাত্মক ডিভাইস রাখা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ধ্বংসাত্মক ডিভাইস রাখার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে মাদুরো স্ত্রীর ও ফাস্ট লেডি সিলিয়া ফ্লোরেসের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ আনা হয়েছে সেটি নিয়ে কিছু বলেননি তিনি।

আরও পড়ুন
মাদুরোকে আটকে ট্রাম্পের পদক্ষেপ কি আইনসম্মত?
মাদুরো সরকারের অন্য সদস্যদের কেন গ্রেফতার করেনি যুক্তরাষ্ট্র?
এরআগে ১৯৮৯ সালে পানামা আক্রমণের পর লাতিন আমেরিকায় সবচেয়ে বড় মার্কিন হস্তক্ষেপে হিসেবে গত শনিবার ভেনেজুয়েলায় বিশেষ অভিযান চালায় যুক্তরাষ্ট্র।
মধ্যরাতে রাজধানী কারাকাসে একটি বিশাল সামরিক অভিযান চালিয়ে মাদুরো এবং তার স্ত্রীকে আটক করে মার্কিন সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিট ডেল্টা ফোর্স। হেলিকপ্টারে করে তাদের প্রাসাদ থেকে প্রথমে ক্যারিবিয়ান অঞ্চল অবস্থারত মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস ইও জিমা’তে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে নিউইয়র্কে, পরে ব্রুকলিনের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টার রাখা হয়।
সূত্র: রয়টার্স
এমএইচআর

