ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটকের পর দেশটির বিরুদ্ধে আর কোনও পদক্ষেপ বা হামলা চালানো হবে না বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
রুবিওর সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোর আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে এই তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সিনেটর মাইক লি।
বিজ্ঞাপন
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে মাইক লি লিখেছেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও নিশ্চিত করেছেন- মাদুরো মার্কিন হেফাজতে থাকায় ভেনেজুয়েলায় আর হামলা চালানো হবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘মাদুরোর গ্রেফতারি পরোয়ানা বাস্তবায়ন করতে যারা কাজ করছিলেন তাদের সুরক্ষা এবং প্রতিরক্ষার জন্য ভেনেজুয়েলায় মধ্যরাতে এসব হামলা চালানো হয়েছে।’
এর আগে, এক্স-এ দেওয়া একটি পোস্টে সিনেটর লি বলেছিলেন, ‘আমি অধীর আগ্রহে এটা জানতে অপেক্ষা করছি যে, যুদ্ধ ঘোষণা বা সামরিক শক্তি ব্যবহারের অনুমোদন না নেওয়া, সাংবিধানিকভাবে এই পদক্ষেপকে ন্যায্যতা দিতে পারে কিনা।’
নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে বলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবির পর যুক্তরাষ্ট্রের কাছে মাদুরো ও তার স্ত্রীর ‘জীবিত থাকার প্রমাণ’ চেয়েছেন ভেনিজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ।
বিজ্ঞাপন
রাষ্ট্রীয় টিভি ভিটিভিতে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট নিকোলাম মাদুরো ও ফাস্ট লেডি সিলিয়া ফ্লোরেস বেঁচে আছেন আমাদের এমন তথ্য জানানোর জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে আমরা দাবি জানাচ্ছি।’
এরআগে নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র সফলভাবে ভেনিজুয়েলা এবং দেশটির নেতা প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর ওপর একটি বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে। অভিযানে মাদুরো এবং তার স্ত্রীকে আটক করে দেশটির বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’ তবে মাদুরোকে কীভাবে আটক করা হয়েছে বা কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে, এমনকি তারা জীবিত আছেন নাকি মারা গেছেন সেটিও বিস্তারিত জানাননি তিনি।
তিনি আরও জানান, ‘এই অপারেশনটি যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সাথে মিলে করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে। আজ স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায়) মার-এ-লাগোতে একটি সংবাদ সম্মেলন করা হবে।’
এদিকে দেশজুড়ে তাৎক্ষণিকভাবে সামরিক বাহিনী মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছেন ভেনিজুয়েলার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভ্লাদিমির পাদ্রিনো।
সূত্র: বিবিসি
এমএইচআর

