রোববার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ঢাকা

বাংলাদেশে ১ লাখ টন চাল রফতানি করতে চায় পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৪ নভেম্বর ২০২৫, ০৭:১৫ পিএম

শেয়ার করুন:

পাকিস্তানের কাছ থেকে ১ লাখ টন চাল কিনছে বাংলাদেশ 

বাংলাদেশে রফতানির জন্য দেশীয় বাজার থেকে এক লাখ টন চাল কেনার জন্য একটি দরপত্র জারি করেছে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব পাকিস্তান (টিসিপি)। ২০২৪ সালের আগস্টে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর ইসলামাবাদ এবং ঢাকার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও বাণিজ্য বৃদ্ধির মধ্যেই এই চাল রফতানির খবর এলো। 

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গত ২০ নভেম্বর ওই দরপত্র জারি করে টিসিপি। 


বিজ্ঞাপন


এতে বলা হয়েছে, করাচি বন্দর দিয়ে ‘ব্রেক বাল্ক কার্গো আকারে বাংলাদেশে রফতানির জন্য’ ১০০,০০০ টন লম্বা দানার সাদা চাল (ইরি-৬) কেনার জন্য কোম্পানি, অংশীদারিত্ব এবং একক মালিকদের কাছ থেকে পৃথক সিল করা দরপত্র আহ্বান করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠান সর্বনিম্ন ২৫,০০০ টন এবং সর্বোচ্চ ১০০,০০০ টন পরিমাণের জন্য দরপত্র জমা দিতে পারবে।’

দরপত্রতে আরও বলা হয়, এসব চাল পাকিস্তানে উৎপাদিত সর্বশেষ ফসলের মজুদ থেকে সরবরাহ করতে হবে এবং এতে কোনও অপ্রীতিকর গন্ধ, ছত্রাকের চিহ্ন, বিষাক্ত আগাছার বীজ, পোকামাকড় বাছাই করা হতে হবে। 

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, ব্যবসায়ীরা এই দরপত্রটিকে বাংলাদেশের বাজারে পাকিস্তানি চালের ব্যাপক উপস্থিতি আনার সম্ভাব্য পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করছেন। 

এরআগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানের কাছ থেকে ৫০ হাজার টন চাল আমদানির মাধ্যমে সরাসরি সরকারি পর্যায়ে (জি২জি) বাণিজ্য শুরু করে বাংলাদেশ।


বিজ্ঞাপন


প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কৃষি দফতরের ফরেন অ্যাগ্রিকালচারাল সার্ভিসের তথ্য অনুসারে- বাংলাদেশ বিশ্বের তৃতীয় বৃহৎতম চাল উৎপাদনকারী দেশ। ২০১৫-২৪ সাল পর্যন্ত ১০ বছরে বাংলাদেশে চাল উৎপাদনের গড় ৩ কোটি ৫২ লাখ ৯০ হাজার মেট্রিক টন। তা সত্ত্বেও বিপুল চাহিদার কারণে প্রতিবছর লাখ লাখ টন চাল অন্য দেশ থেকে আমদানি করতে হয়। এসব চালের বেশিরভাগই আসে মূলত ভারত, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম এবং মিয়ানমার থেকে। চলতি বছর এ তালিকায় যুক্ত হয়েছে পাকিস্তান। যদিও চাল উৎপাদনকারী দেশের তালিকায় পাকিস্তানের অবস্থান নবম। 

সূত্র: ডন

এমএইচআর

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর