ইউক্রেনকে সামরিক হেলিকপ্টার দিতে রাজি হয়েছে ইউরোপের দেশ জার্মানি। কিন্তু ইউক্রেন জার্মানির কাছ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র চায়। এমন আহ্বান জানিয়েছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
ইউক্রেন জানিয়েছে, তারা জার্মানির কাছ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র চায়। সে জন্য আলোচনাও করছে। কিন্তু তাদের এই অনুরোধ গত সপ্তাহে জার্মানির পার্লামেন্ট খারিজ করে দিয়েছে। খবর রয়টার্সের
বিজ্ঞাপন
একদিন আগেই জার্মানির প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, ইউক্রেনকে ছয়টি সামরিক হেলিকপ্টার ও তার যন্ত্রাংশ দেওয়া হবে। ইউক্রেনের সেনাকে এই হেলিকপ্টার চালানোর প্রশিক্ষণও দেবে জার্মানি।
আরও পড়ুন: জার্মানিতে রেল ধর্মঘট, এক বিলিয়ন ইউরো ক্ষতির শঙ্কা
ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কুলেবা জানিয়েছেন, কুলেবা বলেছেন, 'মস্কো আক্রমণ করার জন্য আমাদের এই ক্ষেপণাস্ত্র দরকার নেই। রাশিয়া ইউক্রেনের যে জায়গাগুলো নিয়ে রেখেছে, সেখানে তাদের পরিকাঠামোর উপর আক্রমণ করার জন্য এই ক্ষেপণাস্ত্র ইউক্রেনের দরকার।'
জার্মানির চ্যান্সেলর শলৎস এখনো পর্যন্ত এই ক্ষেপণাস্ত্র দিতে অস্বীকার করেছেন। জার্মানির আশঙ্কা, ইউক্রেনকে ক্ষেপণাস্ত্র দিলে রাশিয়া আক্রমণের তীব্রতা আরও বাড়াবে। পার্লামেন্টে বিরোধীরা ইউক্রেনকে ক্ষেপণাস্ত্র দেয়ার অনুরোধ করেছিল। কিন্তু শলৎসের নেতৃত্বাধীন জোট গতসপ্তাহে সেই অনুরোধ খারিজ করে দেয়।
বিজ্ঞাপন
জার্মানির প্রতিরক্ষামন্ত্রী মঙ্গলবার বলেছেন, ইউক্রেনকে ছয়টি সি কিং এমকে ৪১ মাল্টিপারপাস হেলিকপ্টার দেয়া হবে। সি কিং খুবই শক্তিশালী হেলিকপ্টার, এটা হাতে পেলে অনেক জায়গায় ইউক্রেনের সুবিধা হবে। তারা প্রয়োজনে কৃষ্ণসাগরে সেনাও পাঠাতে পারবে। জার্মানি থেকে এই প্রথম এই ধরনের হেলিকপ্টার দেয়া হলো।
আরও পড়ুন: বিভিন্ন দেশে সমকামিতার ভয়াবহ শাস্তি
এক দশক পুরনো এই হেলিকপ্টারগুলো এখন মূলত সমুদ্রে উদ্ধারকাজে ব্যবহার করা হয়। নতুন এনএইচ-৯০ সি লায়ন হেলিকপ্টার এখন জার্মানির হাতে রয়েছে। এই নতুন হেলিকপ্টারই সি কিং-এর জায়গা নেবে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে জার্মানি ছয়শ কোটি ডলারের সমরাস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম ইউক্রেনকে দিয়েছে।
একে




