পর্বতে ঘেরা মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্যে ভরা দেশ ভুটান। সমগ্র বিশ্বের ভ্রমণপ্রেমীদের কাছে দেশটি আকর্ষণের জায়গা। তবে সীমিত বিমান যোগাযোগের কারণে পর্যটকদের ভুটান ভ্রমণে বিঘ্ন ঘটে। সেই সমস্যা সমাধানে নতুন বিমানবন্দর বানাবে দেশটি।
এখন শুধু বাগডোগরা, নয়াদিল্লি, কলকাতা, ব্যাংকক, ঢাকা এবং সিঙ্গাপুরের সঙ্গেই সরাসরি বিমান যোগাযোগ রয়েছে ভুটানের। এর সবচেয়ে বড় কারণ হলো ছোট্ট দেশ ভুটানে মাত্র একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, আরও একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ করতে চলেছে ভুটান।
দ্রুকিউলস লিটারেচার ফেস্টিভ্যাল ২০২৩-এ বিমান চলাচলের পরিকাঠামো সম্প্রসারণ প্রসঙ্গে কথা বলেন ভুটানের পর্যটন বিভাগের ডিরেক্টর জেনারেল দোরজি ধর্দুল। সেখানেই ভারতীয় সীমান্তবর্তী ভুটানের সারফং জেলার গেলেফুতে নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর স্থাপন করার সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।
যদিও কবে এটি হবে সেটি অবশ্য নির্দিষ্ট করে না জানিয়েই দোরজি ধর্দুল বলেন, এটা হবেই। আসলে এখানে বিদ্যমান ডোমেস্টিক বিমানবন্দরটিকে আপগ্রেড করা হবে।
ভুটানে তিনটি ডোমেস্টিক বিমানবন্দর রয়েছে। যথা– বুমথাং, গেলেফু এবং ইয়ংফুল্লা। একটি মাত্র আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে পারোতে। তবে এটা বেশ বিপদসঙ্কুল। কারণ পর্বতশৃঙ্গের মাঝে অবস্থিত এই বিমানবন্দরটিতে কয়েক জন সার্টিফিকেটপ্রাপ্ত বিমানচালকই বিমান অবতরণ করার অনুমতি পান।
দোরজি ধর্দুল আরও বলেন যে, ‘আমরা সেই সব জায়গার সংখ্যা আরও বাড়াতে চাই, যেখান থেকে ভুটানে সরাসরি বিমানে যাতায়াত করা যায়। কোরিয়া এবং জাপানের পাশাপাশি মুম্বাই এবং দুবাইয়ের সঙ্গেও যোগাযোগ গড়ে তোলার বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছি আমরা।’
প্রায় ২ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকার পরে পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে ভুটানের দরজা। তারপরও পর্যটকরা খুশি হতে পারেননি। কারণ পরিবেশ কর আগে ছিল প্রায় ৬৫ ডলার। এখন সেটি তিন গুণের বেশি বেড়ে হয়েছে ২০০ ডলার।
একে




