শনিবার, ২৫ মে, ২০২৪, ঢাকা

থায়রয়েডে আক্রান্ত দেশের ২৫ শতাংশ মানুষ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৫ মার্চ ২০২৩, ০১:৫৫ পিএম

শেয়ার করুন:

থায়রয়েডে আক্রান্ত দেশের ২৫ শতাংশ মানুষ

বাংলাদেশের ২৫ শতাংশ মানুষ থায়রয়েড রোগে আক্রান্ত বলে তথ্য দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শাহাজাদা সেলিম।

শনিবার (২৫মার্চ) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) বিনামূলে থায়রয়েড স্ক্রিনিং ক্যাম্প উদ্বোধন শেষে এই তথ্য দেন তিনি। ডিআরইউয়ের এই আয়োজনে সহযোগিতা করেছে ইউথায়রয়েড (থায়রয়েড টাস্ক ফোর্স), বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটি।


বিজ্ঞাপন


ডা. শাহাজাদা সেলিম বলেন, ‘সচেতনতার অভাবে থায়রয়েড রোগ সম্পর্কে মানুষের ধারণা নেই। বাচ্চাদের মেধা বিকাশের জন্য এই রোগ সম্পর্কে সচেতন হওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

ডিআরইউ সভাপতি মুরসালিন নোমানীর সভাপতিত্বে ক্যাম্পে উপস্থিত ছিলেন ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল, কল্যাণ সম্পাদক তানভীর আহমেদ।

burhan-2.jpg

থায়রয়েড চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় সদস্যদের অনুরোধে আগামী ২৫ মে আবারও এই রোগের স্ক্রিনিং করানো হবে।


বিজ্ঞাপন


চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায়, থায়রয়েড গ্রন্থি একটি অতি প্রয়োজনীয় অন্ত:ক্ষরা (এন্ডোক্রাইন/Endocrine) গ্লান্ড (Gland); যা গলার সামনের অংশে অবস্থিত। এটি মানব শরীরের প্রধান বিপাকীয় হরমোন তৈরিকারী গ্লান্ড। থায়রয়েড থেকে নি:সৃত প্রধান কার্যকরী হরমোনগুলো তৈরি করতে সাহয্য করে টিএসএইস (TSH) নামক আরেকটি হরমোন; যা মস্তিস্কের ভেতর পিটুইটারি (Pituitary) নামের গ্লান্ড থেকে নি:সৃত হয়।

থায়রয়েড হরমোনের অন্যতম কাজ হচ্ছে শরীরের বিপাকীয় হার বা বেসাল মেটাবলিক রেট (Basal metabolic) বাড়ানো। থায়রয়েড হরমোনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে স্নায়ুর পরিপক্বতা। এজন্য গর্ভাবস্থায় থায়রয়েড হরমোনের স্বল্পতায় গর্ভের বাচ্চা বোকা হয় অথবা বুদ্ধিদীপ্ত হয় না। যেসব উদ্দীপনায় বিপাক ক্রিয়া বেড়ে যায় যেমন- যৌবনপ্রাপ্তি, গর্ভাবস্থা, শরীরবৃত্তীয় কোনো চাপ ইত্যাদি কারণে থায়রয়েড গ্লান্ডের আকারগত বা কার্যকারিতায় পরিবর্তন হতে পারে।

বিইউ/এমআর

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর