বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ঢাকা

কর্মস্থলে চিকিৎসকের দেরিতে উপস্থিতি, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নির্দেশে শোকজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১০ মার্চ ২০২৬, ০৮:৫৬ পিএম

শেয়ার করুন:

কর্মস্থলে চিকিৎসকের দেরিতে উপস্থিতি, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নির্দেশে শোকজ

দেরিতে কর্মস্থলে উপস্থিতি ও শৃঙ্খলাবিধি পরিপন্থী বক্তব্য দেওয়ায় ভোলা জেনারেল হাসপাতালের ডেন্টাল সার্জন ডা. মো. শাহীন চৌধুরীকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পত্রপ্রাপ্তির এক কর্মদিবসের মধ্যে তাকে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ শাখা থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে। 


বিজ্ঞাপন


তথ্য অনুযায়ী, গত ৮ মার্চ একটি বেসরকারি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুলের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আদেশ দেন। এর প্রেক্ষিতে সোমবার (৯ মার্চ) হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক ডা. তৈয়বুর রহমান স্বাক্ষরিত নোটিশে তাকে শোকজ করা হয়েছে।

শোকজ নোটিশে অভিযুক্ত চিকিৎসককে বলা হয়, আপনি গত ৮ মার্চ দেরিতে কর্মস্থলে উপস্থিত হন এবং দায়িত্ব পালনকালে (একটি গণমাধ্যমকে) ‘সরকারি কর্মচারী আচরণ ও শৃঙ্খলাবিধি’ পরিপন্থী বক্তব্য দেন। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ব্যাখ্যা চেয়ে স্বাক্ষরকারীকে প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দেন। আপনার এমন বক্তব্যের কারণে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম ব্যহত, প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি ও হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়, যা ‘সরকারি চাকরি আচরণ ও শৃঙ্খলাবিধি’ পরিপন্থী। 

এই চিকিৎসককে নিজের কর্মকাণ্ডের সুস্পষ্ট জবাব চিঠি পাওয়ার এক দিনের মধ্যে দেওয়ার জন্য বলা হয়।  

এদিকে ওই চিকিৎসককে শোকজ করার পাশাপাশি হাসপাতালের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে যথাসময়ে কর্মস্থলে উপস্থিত হতেও নির্দেশ দেন হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক। আরেকটি নোটিশে বলা হয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যথাসময়ে কর্মস্থলে উপস্থিতি নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। এ অবস্থায় বায়োমেট্রিক হাজিরা রেজিস্ট্রেশন নিশ্চিতসহ প্রতিদিন যথাসময়ে কর্মস্থলে আসা-যাওয়ার জন্য বলা হয়। 


বিজ্ঞাপন


হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের আরেক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে দেওয়া এক চিঠিতে জানান, চিকিৎসকদের রাত্রিকালীন দায়িত্ব পালন শেষে পরদিন ‘ডে অফ’ (ছুটি) থাকার কথা থাকলেও হাসপাতালে চিকিৎসকের স্বল্পতার কারণে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসককে আগের দিন রাত্রিকালীন দায়িত্ব পালন শেষে ডে অফ দেওয়া হয়নি। তাকে ৮ মার্চ সকালের দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। ফলে আগের রাতে দায়িত্ব পালন করে যথাসময়ে কর্মস্থলে আসতে বিলম্ব হয়।

হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক জানান, ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালটির মোট মঞ্জুরীকৃত পদ ৮৭টির মধ্যে মাত্র ২৫টি পূরণ হয়েছে। পদ শূন্য রয়েছে ৬২টি।

এসএইচ/ক.ম 

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর