জীবদ্দশায় প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ ছিল অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের। তার দাবি ছিল, প্রসেনজিতের ‘ফিল্ম পলিটিক্সে’র কারণে দীর্ঘ নয় বছর কোনো ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ পাননি। এমনকি ঋতুপর্ণার সঙ্গে একাট্টা হয়ে তাকে ৩০-৩২টি সিনেমা থেকে বাদ দিয়েছিলেন প্রসেনজিৎ।
তবে অভিষেকের ওসব অভিযোগ মনে রাখেননি প্রসেনজিৎ। তাই তার মৃত্যুর খবর শুনে ভেঙে পড়েছেন তিনি। ভারতীয় গণমাধ্যমকে প্রসেনজিৎ বলেছেন, ‘একের পর এক আমায় মৃত্যু দেখে যেতে হয়। আর প্রতিক্রিয়া দিয়ে যেতে হয়। কিন্তু অভিষেকের খবরটা সকালে শোনার পর এই প্রথম সংবাদমাধ্যমকে জানাচ্ছি, এর প্রতিক্রিয়া আমি দিতে পারব না। ওর বিয়েতে বরকর্তা হয়ে গিয়েছিলাম আমি। সেই দিনটার কথা আজ মনে পড়ছে। ওর সঙ্গে যা কিছু ভাল স্মৃতি সেটাই রেখে দিতে চাই। এর বেশি সত্যি ওর জন্য আমি আর কোনো শব্দ ব্যবহার করতে পারছি না।’
প্রসেনজিৎ ও অভিষেক সমসাময়িক অভিনেতা। টলিউড ইন্ডাস্ট্রি আজকের এই অবস্থানে আসার পেছনে তাদের ভূমিকা অপরসীম। নব্বইয়ের দশকে তাদের মধ্যে তুমুল লড়াই চলত। প্রকাশ্যে বন্ধুত্বের কথা বললেও নিজেদের ভেতর প্রতিযোগিতা ছিল তাদের ভেতর। যদিও প্রসেনজিতের প্রথম পরিচালিত সিনেমায় নায়ক হয়েছিলেন অভিষেক।
আরএসও




