লতা মঙ্গেশকর ৯২ বছর বয়সে মারা গেছেন। অথচ বিধি বাম হলে হয়তো মাত্র ৩৩ বছর বয়সে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করতে হতো তাকে। ষাটের দশকে বিষ প্রয়োগে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল এই সুরসম্রাজ্ঞীকে।
লতার ঘনিষ্ট বর্ষীয়ান লেখিকা পদ্মা সচদেব ‘লতা মঙ্গেশকর: অ্যায়সা কাহা সে লাঁয়ু’ নামে একটি বই লিখেছিলেন, যেখানে তিনি লতাকে নিয়ে একটি তথ্য দেন। যেখানে লেখা, সংগীতশিল্পীকে স্লো পয়জন বা বিষ খাইয়ে ধীরে ধীরে মেরে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল।
পদ্মা সচদেব লিখেছেন, ‘লতাজি এই কথা আমাকে বলেছিলেন। ১৯৬৩ সালে তার বয়স ছিল ৩৩ বছর। একদিন ভোরে লতার পেটের নিচের দিকে খুবই যন্ত্রণা হতে থাকে। তারপর তিনি দু-তিনবার বমি করেন, যা প্রায় সবুজ রঙের তরল ছিল। শরীরে এতোটাই যন্ত্রণা ছিল যে, লতাজি নড়তেও পারছিলেন না। তিন দিন ধরে মৃত্যুর সঙ্গে যেন পাঞ্জা লড়ছিলেন তিনি। প্রায় ১০ দিন পরে তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হতে শুরু করে। তখনই ডাক্তার জানান, লতাজিকে কেউ স্লো পয়জন করে মেরে ফেলতে চেয়েছিল।’
লেখিকা এ-ও জানান, এরপরেই লতা মঙ্গেশকরের গৃহপরিচারিকা নিরুদ্দেশ হয়ে যান। এমনকি নিজের বেতনটাও নিয়ে যাননি তিনি। এ থেকে লতা বুঝতে পারেন, কাজটি তিনি করেছেন।
এই ঘটনার পরে বলিউডের জনপ্রিয় গীতিকার মজরুহ সুলতানপুরী প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ লতা মঙ্গেশকরের বাড়িতে যেতেন। তিনি প্রথমে খাবার চেখে দেখতেন, তারপরে লতাজিকে তা খাওয়ার অনুমতি দিতেন।
আরএসও




