ঢালিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা আলমগীরের সঙ্গে ইলিয়াস কাঞ্চন প্রথমবার পর্দা ভাগ করেছিলেন ‘অচেনা’ সিনেমায়। এরপর আরও বেশকিছু সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় এই দুই নায়ক। সবশেষ তারা হাজির হন মুশফিকুর রহমান গুলজারের ‘সুখের ঘরে দুখের আগুন’ সিনেমায়। সে ১৯৯৭ সালের কথা। তারপর একসঙ্গে পর্দায় দেখা যায়নি ঢাকাই সিনেমার একসময়ের দুই প্রাণ ভোমরাকে। দীর্ঘদিন পর ফের মুখোমুখি হচ্ছেন তারা।
নায়ক আলমগীর তার অভিনয়জীবনের পঞ্চাশ বছর পূর্ণ করেছেন। এ উপলক্ষে চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর ‘নায়ক আলমগীর এর অভিনয়ের ৫০ বছর’ নামে একটি অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করেছেন। সেখানে অতিথির আসনে থাকবেন আলমগীর এবং সঞ্চালকের আসনে দেখা যাবে ইলিয়াস কাঞ্চনকে।
বিজ্ঞাপন
এ প্রসঙ্গে ফরিদুর রেজা সাগর বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের বরেণ্যদের বর্ণাঢ্য জীবন উদযাপন করতে চাই। তাদের অর্জন, শিল্পের পথে ভ্রমণ ও সাফল্যের গল্প সবার সামনে তুলে ধরতে চাই। তারই অংশ হিসেবে অভিনয়শিল্পী আলমগীরকে নিয়ে এমন একটি আয়োজন। দিনব্যাপী আরও নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আলমগীরের ৫০ বছরের অভিনয়জীবন চ্যানেল আই সেদিন উদযাপন করবে।’
ইলিয়াস কাঞ্চনের উপস্থাপনায় এক ঘণ্টার এই অনুষ্ঠানে উঠে আসবে আলমগীরের অভিনয় জীবনের নানা দিক। এ প্রসঙ্গে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘আলমগীর ভাইয়ের সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক। বিভিন্ন ইস্যুতে দেখা হয়, আড্ডা হয়। তবে চ্যানেলের অনুষ্ঠানে আড্ডা তো আলাদা। অনুষ্ঠানের জন্য স্ক্রিপ্ট তৈরি ছিল। কিন্তু আমি সেটা পুরোপুরি অনুসরণ করিনি। আলমগীর ভাইয়ের ৫০ বছরের অভিনয়জীবন হলেও তার সঙ্গে আমার পরিচয় ৪০-৪২ বছরের। এই লম্বা সময় পর্যন্ত তো আমি তাকে দেখছি—নানাভাবে, নানা রূপে। স্ক্রিপ্টের বাইরে গিয়ে আমি আমার মতো করে আরও নানা প্রসঙ্গে আলাপ করেছি।’
অনুষ্ঠানটিতে আলমগীরকে নিয়ে কথা বলতে দেখা যাবে উপমহাদেশের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী ও তার স্ত্রী রুনা লায়লা এবং সংগীতশিল্পী মেয়ে আঁখি আলমগীরকে। এছাড়াও তাকে মূল্যায়ন করবেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার, কাজী হায়াৎ, শাহ আলম কিরণ।
এরইমধ্যে অনুষ্ঠানটির দৃশ্যধারণ সম্পন্ন হয়েছে। এটি প্রযোজনা করেছেন ইফতেখার মুনিম। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিটে অনুষ্ঠানটি প্রচার হবে।
বিজ্ঞাপন
আরআর

