চাঁদা দাবি, অর্থ আত্মসাৎ, প্রতারণা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সাবেক স্ত্রীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করেছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলম। সোমবার (১৯ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদের আদালতে তিনি মামলার আবেদন করেন।
আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করার পর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) অভিযোগটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। হিরো আলমের আইনজীবী শান্তা সাকছিনা গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মামলার আবেদনে প্রধান অভিযুক্ত করা হয়েছে হিরো আলমের সাবেক স্ত্রী ২২ বছর বয়সী মোছা. সাথী খাতুনকে। এ ছাড়া অপর দুই অভিযুক্ত হলেন হিরো আলমের পরিচিত ও সহযোগী আহসান হাবিব সেলিম (৩০) এবং মো. মহিদুল ইসলাম (২৮)।
আবেদনের বিবরণে হিরো আলম উল্লেখ করেন, সাথী খাতুন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে একটি মিউজিক ভিডিওতে কাজের সুযোগ চান। এর সুবাদেই তাঁদের পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা হয়। পরবর্তীতে সংসারের খরচ ও পোশাক কেনার জন্য তিনি সাথীকে বিভিন্ন সময় আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়, গত ১৭ আগস্ট সাথীকে নগদ পাঁচ লাখ টাকা দেওয়া হয়। যা ব্যাংকে জমা রাখার কথা তিনি নিজেই সামাজিক মাধ্যমে স্বীকার করেছিলেন।
এরপর গত ২২ আগস্ট হিরো আলম ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে যাওয়ার পর পরিস্থিতি পাল্টাতে শুরু করে। অভিযোগ অনুযায়ী, সৌদি আরব থাকা অবস্থাতে সাথী খাতুন মিউজিক ভিডিওর শুটিং ও সাজসজ্জার খরচ বাবদ আরও দুই লাখ টাকা দাবি করেন। পরবর্তীতে গত ২৯ সেপ্টেম্বর তাঁদের তালাক সম্পন্ন হওয়ার পর সাবেক স্ত্রী সাথী এবং তাঁর দুই সহযোগী আহসান হাবিব সেলিম ও মহিদুল ইসলাম মিলে হিরো আলমের কাছে করে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।
শুধু আর্থিক দাবি বা অর্থ আত্মসাৎই নয়, সামাজিক মাধ্যমে তাঁকে এবং তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের প্রতিনিয়ত অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও মামলায় অভিযোগ করেছেন হিরো আলম।
ইএইচ/




