আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মানুষের সৃজনশীলতার সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে নতুন বাংলা গান ও সংগীতচিত্র ‘জীবনটা যে সে নদীর মতো, ভাঙা গড়ার খেলা’। জেডিসি একাডেমির উদ্যোগে নির্মিত এই গানে সুর ও কণ্ঠ সৃষ্টিতে ব্যবহার করা হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি।
সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে বাস্তব অভিনয়শিল্পীদের নৈপুণ্য এবং বাংলাদেশের গ্রামীণ প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য। গানটির কথা লিখেছেন মো. রাশেদুজ্জামান। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় গানটির সুর ও কণ্ঠ তৈরিতেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। জীবনের পাওয়া-না পাওয়া, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং ভাঙা-গড়ার চিরচেনা গল্প গানটির কথায় আবেগময়ভাবে ফুটে উঠেছে।
সংগীতচিত্রের বিভিন্ন দৃশ্যে দেখা যাবে বাংলার সবুজ গ্রাম, বিস্তীর্ণ ধানক্ষেত, মেঠোপথ, নদীর পাড় এবং নৌকার স্বাভাবিক চলাচল। গ্রামীণ জীবনের পরিচিত দৃশ্যপটের সঙ্গে গানের আবেগের মেলবন্ধন দর্শকদের মনে আলাদা অনুভূতি সৃষ্টি করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
সংগীতচিত্রটির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন একান্ত জুয়েল ও জান্নাত তোহা। চিত্রগ্রহণ করেছেন জাহেদুল ইসলাম আদি এবং পরিচালনা করেছেন এ জে নোনতু।
এ জে নোনতু বলেন, 'বাংলার প্রকৃতি ও পরিচিত গ্রামীণ পরিবেশের মধ্য দিয়ে জীবনের গল্প তুলে ধরতে চেয়েছি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সঙ্গে বাস্তব অভিনয় ও প্রকৃতির সমন্বয় সংগীতচিত্রটিতে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।'
জেডিসি একাডেমির কর্ণধার ও প্রযোজক রাশেদুজ্জামান বলেন, 'আমাদের লক্ষ্য শুধু একটি গান তৈরি করা নয়; বরং আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও মানুষের আবেগকে নতুনভাবে তুলে ধরা। প্রযুক্তি আমাদের নতুন সম্ভাবনার পথ দেখায়, কিন্তু একটি সৃষ্টিকে প্রাণবন্ত করে মানুষের অনুভূতি ও সৃজনশীলতা।'
জেডিসি একাডেমি মনে করে, আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সঙ্গে বাংলা গান ও বাংলাদেশের নিজস্ব সংস্কৃতির সমন্বয় তরুণ প্রজন্মের সামনে সৃজনশীলতার নতুন দুয়ার খুলে দিতে পারে। প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার দেশের সংগীত ও দৃশ্যশিল্পে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টির পাশাপাশি বাংলা সংস্কৃতিকে আরও বিস্তৃত পরিসরে তুলে ধরতে সহায়ক হতে পারে। গানটি প্রকাশ হবে ১৫ অক্টোবর বিকেল ৪টায়। জেডিসি ড্রিম নামের ইউটিউব চ্যানেলে গানচিত্রটি দেখা যাবে।
আরআর




