রোববার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ঢাকা

শুভ জন্মদিন

মানুষটাই নেই, দিনটি আমাদের তিনজনের জন্য কষ্টের: বাচ্চুপত্নী  

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫৮ পিএম

শেয়ার করুন:

মানুষটাই নেই, দিনটি আমাদের তিনজনের জন্য কষ্টের: বাচ্চুপত্নী  
চলে যাওয়ার আট বছরে আট আনাও ফিকে হয় হয়নি রক আইকন আইয়ুব বাচ্চুর সৃষ্টির আবেদন। আজও তার গান গেয়ে সুখ খুঁজে বেড়ায় অসুখী মানুষেরা। প্রেমিকার অভাব বোধ করে ফেরারি প্রেমিক। কৃষ্ণচূড়ার রংয়ে আঁকে প্রিয়তমার মুখ। 

আজ ১৬ আগস্ট এ কিংবদন্তির জন্মদিন। প্রথম প্রহর থেকেই অনুরাগীরা হারিয়ে যাওয়া এ ধ্রুবতারাকে জানাচ্ছেন শুভেচ্ছা। এই ফাঁকে চলুন জেনে নেই জীবদ্দশায় জন্মদিন কেমন কটত আইয়ুব বাচ্চুর? ঢাকা মেইলকে সে গল্প শুনিয়েছেন গায়কের স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার চন্দনা। 

তিনি বলেন, ‘যখন ব্যস্ততা কম ছিল তখন বাসায় জন্মদিন পালন করত। রাত ১২টায় সবাই আসত, খাওয়া-দাওয়া হতো। পরিবারের সবাই থাকতাম। পরের দিন স্টুডিওতে রমরমা আয়োজন চলত।’ 

Vyb2OK_1539960847_20260205_174519425_(1)

ব্যস্ততা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ে ভক্ত অনুরাগীর সংখ্যা। পাল্টে যায় চিত্র। এরকম উল্লেখ করে চন্দনা বলেন, ‘যখন ব্যস্ততা বাড়ল তখন স্টুডিওতে সকাল থেকে সবাই আসত। কেকের পর কেক জমত। সেখান থেকে আমাদের জন্য বাসায় পাঠাত। রাতে আমাদের সঙ্গে খাওয়া-দাওয়া করত। সে খুব অন্যভাবে সেলিব্রেট করত। ফুর্তিবাজ মানুষ ছিল। সব মিউজিশিয়ানদের সঙ্গে আড্ডা দিত, গল্প করত।’ 

গায়কপত্নী জানান, হাতে লেখা কার্ড বানিয়ে সন্তানরা জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাত আইয়ুব বাচ্চুকে। বলেন, ‘বাচ্চরা তাদের বাবাকে উইশ করতে ছোট ছোট কার্ড বানাত। সে (আইয়ুব বাচ্চু) যেখানে মোবাইল, মানিব্যাগ, ঘড়ি রাখত সেখানে দুজন দুটি কার্ড সারপ্রাইজ হিসেবে রাখত। আর বলত, রাতে বাবুই আমাদের সঙ্গে খাবে। বাবাকে তারা বাবুই ডাকত। তাছাড়া গিফট কিনতে আমাকে নিয়ে বের হতো দুজন। মগ, পরফিউম দিত। স্টুডিওর ব্যস্ততা সেরে বাচ্চু বাসায় ফিরত রাত দুইটা-আড়াইটার দিকে। বাচ্চাদের গিফট পেয়ে খুব খুশি হতো।’ 

আইয়ুব বাচ্চু চলে যাওয়ার পর আনন্দের দিনটি যেন বেদনার বিষাদ কাজলে মাখা। ফেরদৌস আক্তার চন্দনা বলেন, ‘আমার এখন আর আনন্দ হওয়ার কিছু নেই। কেননা মানুষটাই নেই। তার জন্মদিন যে যেভাবে পালন করে করুক কিন্তু আমাদের তিনজনের (ফেরদৌস আক্তার চন্দনা এবং আইয়ুব বাচ্চুর দুই ছেলেমেয়ে) কাছে দিনটি কষ্টের। পুরনো স্মৃতি মনে পড়ে। দুই রাকাত নামাজ পড়ি, দোয়া করি। এভাবেই কাটে।’

আরআর 

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর