যানজটের কারণে নির্ধারিত সময়ে আদালতে পৌঁছাতে না পারায় আজ রোববার জেরা হয়নি পরীমণির। ধর্ষণচেষ্টা, হত্যাচেষ্টা ও মারধরের মামলায় জেরার মুখোমুখি হতে আদালতে যাওয়ার পথে যানজটে আটকে পড়েন নায়িকা। এতে আদালতে যেতে বিলম্ব হয় তার। এ মামলার পরবর্তী জেরার দিন ধার্য করা হয়েছে আগামী ৩০ নভেম্বর।
পরে দুপুরে আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পরীমণি। এ সময় মামলার শুনানির তারিখগুলোকে নিজের জন্য ‘মেন্টাল টর্চার’ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
পরীমণি বলেন, ‘যার সঙ্গে ঘটে, সেই আসলে জানে কিসের মধ্য দিয়ে যায়। এই ডেটগুলো পড়লে অনেক মেন্টাল ট্রমার মধ্য দিয়ে যাই। আবার সেই ঘটনাগুলো আমাকে রিকল করে। এগুলো আমার জন্য এক ধরনের মেন্টাল টর্চার।’
মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি চেয়ে তিনি বলেন, ‘পাঁচটা বছর হয়ে গেছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব জেরা শেষ হোক, একটা সুরাহা হোক। একটা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। আল্লাহর কাছে দোয়া করি, খুব তাড়াতাড়ি এটা শেষ হয়ে যাক।’
নিজের মানসিক চাপের কথা জানিয়ে পরীমণি আরও বলেন, ‘এটা আমার জন্য অনেক হ্যাসেল। বাচ্চাদের সময় দেওয়া, সবকিছু ম্যানেজ করে আদালতের এই মানসিক চাপ নিতে হয়। আমি আর এই হ্যাসেলটা নিতে চাই না।’
পরীমণির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী জানান, যানজটের কারণে দুপুর ১২টায় আদালতে পৌঁছাতে পারেননি পরীমণি। এ কারণে জেরা হয়নি। পরবর্তী শুনানির তারিখ ৩০ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।
মামলায় আসামি নাসির উদ্দিন, তুহিন সিদ্দিকী অমি ও শহীদুল আলম। তারা জামিনে রয়েছেন। এদিন নাসির ও অমি আদালতে হাজিরা দিলেও শহীদুল আলম সময়ের আবেদন করেন।
২০২১ সালের ৮ জুন সাভারের বিরুলিয়ায় তুরাগ নদীর তীরে বোট ক্লাবে হেনস্তার শিকার হওয়ার অভিযোগ করেন পরীমণি। পরে ওই বছরের ১৪ জুন ধর্ষণচেষ্টা, হত্যাচেষ্টা ও মারধরের অভিযোগে সাভার মডেল থানায় মামলা করেন তিনি। মামলার বিচার চলছে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে রুদ্ধদ্বার কক্ষে।
২০২২ সালের ২৯ নভেম্বর মামলায় সাক্ষ্য দেওয়া শুরু করেন পরীমণি। তবে এখনো তার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়নি।




