রোববার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ঢাকা

স্মরণে

আলাউদ্দীন আলী ভাই আমার গালে চড় বসিয়ে দেন: কুমার বিশ্বজিৎ 

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯ আগস্ট ২০২৬, ১১:২১ এএম

শেয়ার করুন:

আলাউদ্দীন আলী ভাই আমার গালে চড় বসিয়ে দেন: কুমার বিশ্বজিৎ 

আজ ৯ আগস্ট কিংবদন্তি সুরকার ও সংগীত পরিচালক আলাউদ্দীন আলীর চলে যাওয়ার দিন। বিশেষ দিনটিতে তাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করছেন দেশের প্রখ্যাত সব শিল্পীরা। তাদের একজন কুমার বিশ্বজিৎ। জনপ্রিয় এ গায়কের প্লেব্যাকের শুরু আলাউদ্দীন আলীর হাত ধরে। প্রথমবার সিনেমার গান গাইতে গিয়ে তার চড় হজম করতে হয়েছিল বিশ্বজিৎকে।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে বিশ্বজিৎ জানান ঘটনাটি ১৯৮২ সালের। আলাউদ্দিণ আলীর সঙ্গে নিজের একটি ছবি প্রকাশ করে ঘটনায় বর্ণনা করেন গায়ক। তিনি লেখেন, ‘‘কিছু স্মৃতি জীবনে অম্লান হয়ে রয়। সালটা ১৯৮২! জীবনের প্রথম সিনেমার গান গাই ‘ইন্সপেক্টর’ সিনেমায়। গানটির সুর করেছিলেন প্রখ্যাত সুরকার ও সংগীত পরিচালক আলাউদ্দীন আলী।’’ 

সেদিন স্টুডিওতে দেশের সংগীতাঙ্গনের ডাকসাইটে সবাইকে দেখে ভড়কে যান বিশ্বজিৎ। তার কথায়, ‘শ্রুতি স্টুডিওতে মহরত অনুষ্ঠানে সংগীত ভূবনের সব রথী-মহারথীদের দেখে ভয়ে স্টুডিও থেকে বের হয়ে যাই। আলাউদ্দীন আলী ভাই পেছন পেছন এসে জিজ্ঞেস করলে আমি বলি, আর গান গাব না! চিটাগং চলে যাব'! আলাউদ্দীন আলী ভাই সাথে সাথে আমার গালে একটা চড় বসিয়ে দেন! চড় দিয়ে বলেছিলেন, যখন মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়াবে, তখন ভাববে তুমিই সেরা। আর যদি চিটাগং চলে যাও, তাহলে তুমি শেষ। ওনার মতো একজন সংগীতের মহাজনের আশীর্বাদের ছোয়া পাওয়া যে কারো জন্যই বড় প্রাপ্তি!’

সবশেষে গায়ক লেখেন, ‘তবে এটা শাশ্বত সত্য,ওই দিন সন্তান তুল্য স্নেহ দানকারী আলাউদ্দীন আলী ভাই সে চড় এবং উৎসাহ না দিলে ঢাকায় থাকার সাহসটা পেতাম না। জীবনের প্রতিটি ধাপে আপনাকে মিস করি আলী ভাই। জানি এখনও আপনার আশীর্বাদ আমার মাথার ওপর আছে, থাকবে আমৃত্যু।’

২০২০ সালের এই দিনে জীবনের লেনাদেনা চুকিয়ে দেন আলাউদ্দীন আলী। সেদিন ছিল রোববার। বিকেল ৫টায় মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। 
আরআর 

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর