জনপ্রিয়তার মধ্যগগণে থাকাকালীন হাতে হাতকড়া ওঠে সালমান খানের। কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের অভিযোগে কারাগারে থাকতে হয়। সে অভিজ্ঞতা ছিল নিদারুণ যন্ত্রণার। জেলখানার দেয়ালে টিকটিকি ঘুরত। ব্যবহার করতে হয়েছে নোংরা শৌচালয়। সম্প্রতি এক রিয়্যালিটি শোয়ে সে অভিজ্ঞতা জানান ভাইজান।
দুর্বিষহ সে অভিজ্ঞতা তুলে ধরে সালমান বলেন, ‘বহু বছর আগে যখন জেলে গিয়েছিলাম, তখন লোহার গরাদ ছিল। খুব ছোট্ট একটি জায়গায় ৫০ থেকে ৬০ বা ৭০ জন থাকতেন। একটি মাত্র শৌচালয় ছিল। সেটাও ভারতীয় কায়দার তৈরি কমোড। কখনও সেখানে টিকটিকি দেখা যেত। তার ওপর নোংরায় জায়গাটা ভরে থাকত।’
_20260804_132625591.jpg)
সম্প্রতি সালমানের ভাই সোহেল খান একটি ‘অ্যালায়েন্স’ নামের একটি রিয়্যালিটি শো এনেছেন। ভাইয়ের পাশে দাঁড়াতে সেখানে হাজির হন সালমান। এরইমধ্যে সে ভিডিও সামনে এসেছে। সেখানে তাকে জেল জীবনের অভিজ্ঞতা বলতে শোনা গেছে।
এর আগেও কারাবাস নিয়ে কথা বলেছিলেন সালমান। সেখানেও উঠে এসেছিল নোংরা শৌচালয়ের কথা। সে ২০০৮ সালের ঘটনা। এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, ‘আমি শান্ত ছিলাম জেলে। শুধু শৌচালয় নিয়েই চিন্তা ছিল। আর কিছু না। যখন জানেন আপনি যে অভিযোগে অভিযুক্ত, তা করেননি, তখন মাথা উঁচু করেই সব পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়।’

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৯৮ সালে কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার অভিযোগ ওঠে সালমানের নামে। এ মামলায় একাধিকবার পুলিশ পুলিশি হেফাজত ও জেলে থাকতে হয় পর্দার টাইগারকে। সব মিলিয়ে ১৮ দিন কারাগারে বন্দি ছিলেন তিনি।
আরআর




