প্রকাশ্য দিবালোকে বাড়ির সামনে হত্যা করা হয়েছে হলিউড অভিনেতা অভিনেতা জেমস হ্যান্ডিকে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। এ ঘটনায় অভিনেতার প্রেমিকার ছেলেকে গ্রেফতার করেছে লস অ্যাঞ্জেলসের পুলিশ।
একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে বিষয়টি। সিসিটিভির ফুটেজে ধরা পড়েছে হ্যান্ডি হত্যার রোমহর্ষক দৃশ্য। যা চমকে দিয়েছে পুলিশকে। সেখানে দেখা যায়, হ্যান্ডিকে ছুরিকাঘাত করার পর ধীরে সুস্থ হেঁটে চলে যান তার প্রেমিকার ছেলে ও সন্দেহভাজন খুনি মাইকেল গ্লেডহিল।

ঘটনাটি পুলিশকেও জানিয়েছেন মাইকেল। তিনি মার্কিন জরুরি সেবা ‘৯১১’-এ ফোন করে নিজেকে ঈশ্বরের পুত্র দাবী করে বলেন, ‘আমি ঈশ্বরের পুত্র, আমি এইমাত্র পৃথিবীর এক মহাপাপিষ্ঠ মানুষকে হত্যা করে পাপমুক্ত করলাম।’
লস অ্যাঞ্জেলেসের পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে জেমস হ্যান্ডিকে তার বাড়ির সামনে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ডাক্তাররা এই প্রবীণ তারকাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ এক মুহূর্ত দেরি না করে এলাকা থেকেই মাইকেলকে গ্রেপ্তার করে এবং বর্তমানে তাকে এলএপিডির ভ্যালি জেলে রাখা হয়েছে। জামিনের জন্য আদালত তার বন্ড নির্ধারণ করেছে রেকর্ড ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার!

এদিকে হ্যান্ডিকে হত্যার কারণ জানতে পারেনি পুলিশ। এরইমধ্যে মাঠে নেমেছে লস অ্যাঞ্জেলেস ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ। পারিবারিক কলহ মানসিক বিকৃতি নাকি অন্য কোনো কারণে প্রেমিকাপুত্রের রোষের শিকার বর্ষীয়ান অভিনেতা— খতিয়ে দেখছে।
হ্যান্ডি হত্যায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে হলিউডে। ‘টপ গান: ম্যাভেরিক’ এবং ‘জুমানজি’ খ্যাত প্রবীণ এ অভিনেতার মৃত্যু মানতে পারছেন না সহকর্মীরা।




