বলিউড অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিতের রূপের যাদু ও নাচের ঝলকের কথা সবার জানা। প্রখর অভিনয় দক্ষতা তো রয়েছেই। এই তিন অস্ত্রের সমন্বয় করেই বি-টাউনে তিনি রাজত্ব করেছেন নব্বই দশকের পুরোভাগ।
তবে ক্যারিয়ারের শুরুতে পথটা এত মসৃণ ছিল না মাধুরীর। প্রথম ছবিতে ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে ধার করতে হয়েছিল নায়কের স্ত্রীর শাড়ি। ছিল না ট্যাক্সি ভাড়াও। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন তার সহ অভিনেতা শেখর সুমন।
বিজ্ঞাপন
মাধুরীর প্রথম ছবি ‘মানব হত্যা’-এর নায়ুক সুমন। ১৯৮৬ সালের সে ছবির ঘটনাগুলো উল্লেখ করেন তিনি। নায়ক জানান, প্রযোজক ছিলেন আর্থিকভাবে অসহায়। মাধুরীকে শুটিংয়ে আনা নেওয়ার গাড়ি পর্যন্ত দিতে পারেননি। তার স্ত্রীর শাড়ি-মেকআপ নিয়েই ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন অভিনেত্রী।
সুমন বলেন, ‘প্রযোজক আমাকে এসে বললেন, আমার কাছে মাধুরীকে আনার মতো ট্যাক্সি ভাড়া নেই। তুমি কি দয়া করে তোমার মোটরসাইকেলে করে ওকে একটু পিকআপ করে নিতে পারবে?’ এরপর থেকে প্রতিদিন আমিই বাইক চালিয়ে মাধুরীকে ওঁর বাড়ি থেকে শুটিং সেটে নিয়ে আসতাম। ও ভীষণ শান্ত, মিষ্টি আর সরল একটা মারাঠি মেয়ে ছিল।’
অভিনেতা স্মৃতির পাতা উল্টে বলেন, ‘প্রযোজক যখন হাত তুলে দিলেন, তখন আমার স্ত্রী অলকাই মুশকিল আসান হয়ে দাঁড়ায়। ছবিতে মাধুরী যে সমস্ত পোশাক পরেছিলেন, তার বেশিরভাগই ছিল আমার স্ত্রীর আলমারির কালেকশন। শুধু তাই নয়, শুটিংয়ের সময় মাধুরীর মেকআপটাও আমার স্ত্রী নিজের হাতে করে দিত।’
‘মানব হত্যা’ মুক্তির পর সফলতা পায়নি। তবুও ছবিটি মাধুরীর কাছে বিশেষ। কেননা এই ছবিই তাকে শিখিয়েছিল বলিউডে টিকে থাকার লড়াই।




