রোববার, ১৭ মে, ২০২৬, ঢাকা

যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে রাজ কাপুর ও দিলীপ কুমারের বাড়ি!

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ মে ২০২৬, ০৩:২২ পিএম

শেয়ার করুন:

যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে রাজ কাপুর ও দিলীপ কুমারের বাড়ি!

বলিউডে রাজত্ব গড়ে তুললেও রাজ কাপুর ও দিলীপ কুমারের শিকড় পাকিস্তানে। দেশটির পেশোয়ারে তাদের পৈতৃক ভিটা। আজ দুজনের কেউ পৃথিবীতো না থাকলেও বাড়ি দুটি আছে। তবে সংস্কারের অভাবে রুগ্ন। যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, গেল ৪-৫ বছরে বাড়ি দুটি সরকারের তরফ থেকে রক্ষণাবেক্ষণে কোনো যত্ন আত্তি পায়নি। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ জানিয়েছে, ঝড়বৃষ্টিতে হাড় জিরজিরে অবস্থা বাড়ি দুটির। 


বিজ্ঞাপন


সম্প্রতি ভূমিকম্প যেন হয়ে দাঁড়িয়েছে মরার উপর খাঁড়ার ঘা। অবকাঠামোগত দিক থেকে একেবারেই নড়বড়ে করে দিয়েছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে দাঁড়িয়েছে যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে রাজ কাপুর ও দিলিপ কুমারের বাড়ি দুটি। 

স্থানীয়দের মতে, এখনও সরকার অবহেলা করলে আগামী কিছু দিনের মধ্যেই হয়তো মাটিতে মিশে যাবে এই দুই ঐতিহাসিক নিদর্শন। প্রসঙ্গত, উত্তর-পশ্চিম খাইবার পাখতুনখোয়ায় অবস্থিত এই বাড়ি দুটিকে ২০১৬ সালে ‘জাতীয় ঐতিহ্য’ বলে ঘোষণা করেছিল পাকিস্তান সরকার।

দুই দফায় বরাদ্দ করা হয়েছিল অর্থ। ২০২১-২২ সালে খাইবার পাখতুনখোয়া সরকার বাড়ি দু’টি কিনতে ২.৩৫ কোটি পাকিস্তানি রুপি বরাদ্দ করে। নির্দেশ ছিল, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ যেন বাড়ি দুটিকে জাদুঘরে রূপান্তরিত করে। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে প্রাদেশিক সরকার ঐতিহাসিক ভবনগুলোর পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণের জন্য ৩৩.৮ মিলিয়ন পাকিস্তানি রুপি অনুমোদন করে।

এরপরও অবস্থা ফেরেনি বাড়ি দুটির। কারণ ব্যাখ্যা করে দেশটির সরকার থেকে জানানো হয়েছে সংরক্ষণের জন্য অনুদানের অনুমোদন থাকলেও সেই অর্থ হাতে আসেনি। ফলে, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগও গরজ দেখায়নি। অযত্ন, ঝড়-বৃষ্টির দাপট, বাড়ির আনাচকানাচে গজিয়ে ওঠা আগাছা, জমে থাকা জঞ্জাল ক্রমশ গ্রাস করেছে বাড়ি দুটিকে।


বিজ্ঞাপন


রাজ কাপুরের বাড়িটি পেশোয়ারের খাওয়ানি বাজারে। অভিনেতার পিতামহ দেওয়ান বিশ্বেশ্বরনাথ কপূর ১৯১৮ সালে বাড়িটি নির্মাণ করেন। রাজ কাপুরের জন্মও এই বাড়িতে। অন্যদিকে দিলীপ কুমারের বাড়ি মহল্লা খুদাদত অঞ্চলে। ‘পেশোয়ারি’ আদলে তৈরি। একসময় লক লস্করে সরগরম থাকলেও আজ যেন আছে ভেঙে পড়ার অপেক্ষায়। 

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর