শুটিং সেট থেকে শুরু করে বিমানবন্দর সব জায়গাতে শাহরুখ খানের সঙ্গে ছায়ার মতো থাকেন বিশাল দেহের অধিকারী রবি। অন্যদিকে, ভাইজান সালমান খানের নিরাপত্তায় দীর্ঘ বছর ধরে নিয়োজিত শেরা। তারকাদের দেহরক্ষীদের মাসিক আয় নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা গুঞ্জন প্রচলিত রয়েছে। দাবি করা হয়, তারা বছরে ২ থেকে ২.৫ কোটি টাকা বেতন পান, যা মাসে দাঁড়ায় প্রায় ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা।
বিজ্ঞাপন
তবে এসব তথ্য সম্পূর্ণ ভুল বলে দাবি করেছেন শাহরুখ খানের সাবেক দেহরক্ষী ইয়াসিন খান। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি দেহরক্ষীদের বেতন ও তাদের জীবনের সংগ্রামের অজানা তথ্য প্রকাশ করেছেন।

‘হিন্দি রাশ’-এর সঙ্গে আলাপকালে ইয়াসিন বলেন, ‘আমার মনে হয় না কোনো বডিগার্ডকে বছরে বা মাসে অত বিশাল অঙ্কের বেতন দেওয়া হয়। কোনো তারকা যদি ব্যক্তিগত সম্পর্কের খাতিরে বাড়তি কিছু দেন, সেটি ভিন্ন বিষয়। কিন্তু সাধারণ বেতন কাঠামো অনুযায়ী মাসে ৮-১০ লাখ টাকা পাওয়ার কথাটি ভিত্তিহীন। আসলে এতো টাকা দেবে কে?’
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও জানান, সোশ্যাল মিডিয়ায় তারকাদের দেহরক্ষীদের বেতন নিয়ে প্রায় মনগড়া তথ্য প্রচার করা হয়। বাস্তবে তারা নির্দিষ্ট বেতনভুক্ত কর্মচারী হিসেবে কাজ করেন।
আগে একটি সময় ছিল যখন শুটিং সেটে মেকআপ আর্টিস্ট বা স্পট বয়রা প্রযোজকের কাছ থেকে আলাদা ভাতা পেতেন, কিন্তু বডিগার্ডদের জন্য পারিশ্রমিক ছিল না। ফলে মাসিক বেতনে সংসার চালানো তাদের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ত।

এমন পরিস্থিতিতে বডিগার্ডদের আর্থিক নিরাপত্তার বিষয়টি সমাধানে এগিয়ে আসেন শাহরুখ-পত্নী গৌরী খান। ইয়াসিন বলেন, ‘আমি বিষয়টি নিয়ে গৌরী খানের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। তিনি অত্যন্ত সহানুভূতির সঙ্গে সব শোনেন। এরপর থেকে প্রযোজকদের সঙ্গে বডিগার্ডদের আলাদা চুক্তির ব্যবস্থা শুরু হয়।‘ বর্তমানে তারকাদের দেহরক্ষীরা শুটিং চলাকালীন প্রযোজকদের পক্ষ থেকেও সম্মানি পান।
সপরিবারে কেন 'মান্নত' ছাড়ছেন শাহরুখ খান?
শাহরুখ খান বর্তমানে ব্যস্ত সময় পার করছেন তার আসন্ন সিনেমা ‘কিং’-এর শুটিং নিয়ে। সিদ্ধার্থ আনন্দ পরিচালিত এই ছবিতে প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় দেখা যাবে সুহানা খানকে। এতে আরও অভিনয় করছেন অভিষেক বচ্চন, রানী মুখার্জি ও দীপিকা পাড়ুকোন। সিনেমাটি ২০২৬ সালের ২৪ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।




