বরিশালের কীর্তনখোলা নদী তীরের একটি সন্ত্রাসী গ্রুপের নেতা লেলিন। স্থানীয় ধনী পরিবারের মেয়ে আঁখির সাথে তার প্রেম। লেলিনের স্বপ্ন, একদিন সে অনেক ধনী হবে এবং আঁখিকে বিয়ে করবে।
শর্টকাটে ধনী ও প্রভাবশালী হওয়ার রাস্তা হিসেবে লেলিন বেছে নেয় সন্ত্রাসী পথ। সাগরেদ সাইফুল, বিটলা, রুস্তম, আদিলের সমন্বয়ে গড়ে তোলা তার বাহিনী ক্রমান্বয়ে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠে। এলাকায় প্রতিনিয়ত মারামারি, খুন খারাবি চলতে থাকে। সন্ত্রাসের পথ থেকে লেলিনকে ফেরাতে চেষ্টা করে আঁখি। কিন্তু বেপরোয়া লেলিন থামে না কারও কথায়।
বিজ্ঞাপন
একদিন খুন হয় লেলিনের বাবা সামাদ মাঝি। পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নিতে লেলিন আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। এই ঘটনার জের ধরে লেলিন গ্রুপের হাতে খুন হয় প্রতিপক্ষের কয়েকজন। পুলিশ খুঁজতে থাকে লেলিনকে। অজানা আতঙ্কে কেঁপে কেঁপে ওঠে আঁখি। লজ্জা-ঘৃণায় কুঁকড়ে যায় সে। আজ তার প্রেম যেন অভিশাপ।
এদিকে পারিবারিকভাবে তার বিয়ে ঠিক হয়েছে। গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান চলছে। আঁখি ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে আছে। লেলিন কথা দিয়েছে হলুদের রাতেই তাকে নিয়ে যাবে। কিন্তু তার কোনো হদিস নেই। পুলিশ লেলিনকে তাড়া করছে। এক পর্যায়ে পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে নদীতে ঝাঁপ দেয় লেলিন।
এমন গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে নাটক ‘লেলিন’। কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন মুশফিক ফারহান। বিপরীতে রয়েছেন সাফা কবির। দয়াল সাহা ও দেবাশীষ চক্রবর্তীর রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন সুব্রত সঞ্জীব। আসছে ঈদুল ফিতরের দ্বিতীয় দিন রাত ৮ টায় মাছরাঙা টেলিভিশনে প্রচারিত হবে নাটকটি।

