বিমানবন্দরে ১৪ বোতল মদসহ আটক প্রসঙ্গে এরইমধ্যে মুখ খোলেন মেহজাবীন চৌধুরী। সংবাদটিকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদীত বলে অভিহিত করেন। এবার সামাজিক মাধ্যমে জানালেন, আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি।
আজ মঙ্গলবার নিজের ফেসবুকে মেহজাবীন লেখেন, সাম্প্রতিক যে ঘটনাটি নিয়ে আমাকে উদ্দেশ্য করে মানহানিকর প্রচার চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে আমি ইতোমধ্যে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।
_20260224_143219377.jpg)
এরপর লেখেন, এ প্রসঙ্গে কয়েকটি বিষয় পরিষ্কারভাবে জানাতে চাই। প্রথমত, উল্লিখিত কোনো ঘটনায় আমাকে কখনোই বিমানবন্দরে থামানো হয়নি। আমার কোনো হ্যান্ডব্যাগ বা লাগেজও আটকানো হয়নি; আমার লাগেজ বা হ্যান্ডব্যাগে উল্লিখিত অভিযোগের কিছু পাওয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না। যেসব কথা ছড়ানো হচ্ছে, সেরকম কোনো ঘটনার মুখোমুখি আমি হইনি। বিমানবন্দরের কোনো কর্মকর্তা আমাকে কোনরূপ জিজ্ঞাসাবাদও করেননি।
অভিনেত্রীর প্রশ্ন, আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার, আমার লাগেজ থেকে কিছু অবৈধ কিছু বের হওয়ার কোনো ছবি, ভিডিও বা কোনো ধরনের প্রমাণ কি আছে?
_20260224_143241125.jpg)
তার কথায়, দুর্ভাগ্যজনকভাবে মানহানি এখন খুব স্বাভাবিক ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। যে খবরটি ছড়ানো হয়েছে, তার নিরিখে একটিও প্রমাণ কেউ দিতে পারেনি যে আমার লাগেজে অবৈধ কিছু পাওয়া গেছে। অথচ ক্লিকবেইটের জন্য আমার ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।
সবশেষে লিখেছেন, এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কারুরই এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়া কাম্য নয়। আমার বিরুদ্ধে এই সকল অভিযোগ অমূলক এবং আমি আবারও বলছি, এই ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনায় আমাকে জড়িয়ে যা প্রকাশিত হয়েছে সেই ব্যাপারে আমার কোনোই সংশ্লিষ্টতা নেই।

সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ওই খবরে বলা হয়, বিদেশ থেকে ফেরার সময় লাগেজে ১৪ বোতল মদসহ ধরা পড়েছিলেন দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। শুধু মেহজাবীনই নন, এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্বামী পরিচালক ও প্রযোজক আদনান আল রাজীব এবং নির্মাতা শঙ্খ দাসগুপ্ত। যদিও রহস্যজনক কারণে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গোপন রেখে তাঁদের ছেড়ে দেন।

