প্রতিমন্ত্রীর পদ পেয়েই আলোচনায় জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার আমিনুল হক। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সিইওর সঙ্গে তার ফোনালাপের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
ওই ভিডিওতে দেখা যায়, বিসিবি কার্যালয়সহ ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট সবকিছুতে অবাধ প্রবেশের যে নিষেধাজ্ঞা ছিল সেটা তুলে নেয়ার নির্দেশ দিচ্ছেন আমিনুল। প্রতিমন্ত্রীর ওই নির্দেশ অনেকের কাছে তাকে ‘ফাটাকেস্ট’ বানালেও প্রশ্ন তুলেছেন ইউটিউবার সালমান মুক্তাদির।
ভিডিওটি শেয়ার করে সালমান লিখেছেন, ‘তাহলে কি কালকে আমি শুধু একটা মাইক আর ক্যামেরা নিয়ে ঢুকে নিজেকে সাংবাদিক বলতে পারব? খোঁটা দিচ্ছি না, সত্যি জানতে চাই। যদি এমনটাই হয়, তাহলে ভবিষ্যতে ছেলে-মেয়েরা কেন কষ্ট করে সাংবাদিকতা পড়বে বা চর্চা করবে?’
অল্প সময়ের মধ্যে যারা ‘সাংবাদিক’ পরিচয়ে প্রশ্ন করবেন বা প্রতিবেদন লিখবেন, তাদের দায়ভার কি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর ওপরও বর্তাবে না? সালমানের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘সাংবাদিক’ শব্দটি কবে থেকে কীভাবে গালি হয়ে গেল- এটিও ভাবনার বিষয়।
তার মতে, বছরের পর বছর চর্চা করে যারা এ পেশায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন, তাদের জন্য এ ধরনের সিদ্ধান্ত অপমানজনক হতে পারে।
মন্ত্রীর কোনো নির্দেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শ করা হয়েছে কি না -সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। তার ভাষায়, ‘সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া হঠাৎ সিদ্ধান্ত নেওয়ার মধ্যে ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় ধরনের ইঙ্গিত থাকে। সেটি খুব একটা ভালো নয়।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসন থেকে বিএনপির টিকিটে নির্বাচন করেন আমিনুল। ৩ হাজার ৩৬১ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আব্দুল বাতেনের কাছে। নির্বাচনে পরাজিত হলেও তারেক রহমানের ঘোষিত মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন সাবেক এ ফুটবলার।




