সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬, ঢাকা

রাজপুত্রের সঙ্গে মডেলের জোরপূর্বক বিয়ে, মুখ খুললেন দেড় যুগ পর

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:০২ পিএম

শেয়ার করুন:

রাজপুত্রের সঙ্গে মডেলের জোরপূর্বক বিয়ে, মুখ খুললেন দেড় যুগ পর

২০০৮ সালে মালয়েশিয়ার কেলান্তানের রাজপুত্র তেঙ্কু ফাখরির সঙ্গে বিবাহবন্ধন আবদ্ধ হন আমেরিকান মডেল মনোহরা ওডেলিয়া। বিয়ের দেড় যুগ পর সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় মনোহরা অভিযোগ করেছেন, ওই বিয়ে ছিল জোরপূর্বক ও অবৈধ। একইসঙ্গে তাঁকে রাজপুত্রের প্রাক্তন স্ত্রী হিসেবে সম্বোধন না করার জন্য গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। 

সম্প্রতি এক লম্বা স্ট্যাটাসে মডেল মনোহরা জানিয়েছেন, ২০০৮ সালে যখন তেঙ্কু ফাখরির সঙ্গে তার বিয়ে হয় তখন তার বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর। একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে বিয়েতে সম্মতি দেওয়ার মতো মানসিক সক্ষমতা ছিল না। ওই বিয়েটি কোনো বৈধ বিয়ে ছিল না, বরং সেটি ছিল একটি জোরপূর্বক বিবাহ। রাজপ্রাসাদে কাটানো দিনগুলোতে চরম একাকিত্বকে সঙ্গী করে সময় পার করতে হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।


বিজ্ঞাপন


ইনস্টাগ্রাম পোস্টে মনোহরা লিখেছেন, ‘কিশোর বয়সে বিয়ে কোনো বৈধ বিয়ে ছিল না। আমি স্বেচ্ছায় সেই সম্পর্কে জড়াইনি। আমি তখন নাবালিকা ছিলাম এবং আমাকে বাধ্য করা হয়েছিল।’

তিনি ইন্দোনেশীয় গণমাধ্যম এবং গুগল ও উইকিপিডিয়ার মতো প্ল্যাটফর্মগুলোকে ‘সাবেক স্ত্রী’ শব্দটি ব্যবহার বন্ধ করার অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি মনে করেন, ‘সাবেক স্ত্রী’ শব্দটি ব্যবহারের অর্থ হলো একটি অবৈধ সম্পর্ককে বৈধতা দেওয়া। যা সাংবাদিকতা নীতিমালার পরিপন্থী।

২০০৯ সালে সিঙ্গাপুরের একটি হোটেল থেকে মনোহরার পালি গিয়েছিলেন। যা বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। একটি রাজকীয় সফরের সময় নিজের মা, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং মার্কিন দূতাবাসের সহায়তায় তিনি পালিয়ে ইন্দোনেশিয়ায় ফিরে আসেন। 


বিজ্ঞাপন


ইন্দোনেশিয়ায় ফিরে এক সাক্ষাৎকারে এই মডেল জানিয়েছিলেন, রাজপ্রাসাদে তাকে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হতো। নিজের বাবা-মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া হতো না। এমনকি অবাধ্য হলে তাকে বিভিন্নভাবে শারীরিক নির্যাতন করা হতো। 

ইএইচ/ 

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর