কদিন আগেও নতুন সিনেমা এলে প্রেক্ষাগৃহে দু-চারজন দর্শক পাওয়া যেত। বর্তমান পরিস্থিতি যেন আরও সঙিন। হলে কোনো দর্শকই আসছেন না। গেল মাসে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘কন্যা’ সিনেমার ক্ষেত্রে এরকম চিত্র দেখা গেছে। সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ‘বেহুলা দরদী’র সঙ্গেও একই আচরণ করছেন দর্শক। টিকিট বিক্রি না হওয়ায় একটি শো-ও চলেনি। হতাশ হল মালিকের প্রশ্ন, দর্শক কেন যাবে এসব ছবি দেখতে?
ঢাকা মেইলের মাধ্যমে প্রশ্নটি প্রযোজক, পরিচালকদের উদ্দেশে ছুঁড়েছেন ঢাকার অদূরে কেরানিগঞ্জে অবস্থিত লায়ন সিনেমাসের কর্ণধার মির্জা আব্দুল খালেক। ‘বেহুলা দরদী’ সিনেমাটি কেমন চলছে জানতে চাইলে মির্জা খালেক বলেন, ‘‘এ পর্যন্ত কোনো শো চলেনি ছবিটির। এর আগে ‘কন্যা’ নামে একটি সিনেমা মুক্তি পেল। সেটিরও কোনো শো চলেনি। এই ছবিগুলো যারা বানায় তাদের কাছে আমার প্রশ্ন, দর্শক কেন আসবে তাদের ছবিগুলো দেখতে? কী আছে এই ছবিতে? আমি এর উত্তর খুঁজে বেড়াচ্ছি। প্রযোজক পরিচালকরা উত্তর দিলে আমি বাঁধিত হব।’’

একই গল্প রাজশাহী গ্র্যান্ড রিভারভিউ সিনেপ্লেক্সের। জানালেন সেখানকার আইটি এক্সিকিউটিভ শরীফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘টিকিট বিক্রি না হওয়ায় এখন পর্যন্ত বেহুলা দরদীর কোনো শো চালানো হয়নি আমাদের এখানে।’
চট্টগ্রামের সুগন্ধা সিনেমা হলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফ হোসাইন বললেন, ‘খুবই করুণ অবস্থা। দর্শকের অভাবে আজ সোমবার ১২টার শো বন্ধ ছিল। বিকেলের শোয়ে বোধহয় একজন দর্শক। শুক্রবার থেকে এ পর্যন্ত সব মিলিয়ে আনুমানিক মোট ১৫ জন দেখেছে ছবিটি। এর কমও হতে পারে।’

উত্তরার ম্যাজিক মুভি থিয়েটারের গল্পও আশা জাগানিয়া না। থিয়েটারের পরিচালক রাজ জানালেন দুপুরের শো দর্শকের অভাবে বন্ধ থাকছে। সন্ধ্যায় ৪-৫ জন দর্শক নিয়ে সিনেমাটি চলছে।
‘বেহুলা দরদী’র প্রধান চরিত্রগুলোতে অভিনয় করেছেন ফজলুর রহমান বাবু, প্রাণ রায়, সূচনা সিকদার, ইমরান হাসো, আজিজুন মীম, আশরাফুল আশীষ, আফফান মিতুল ও সানজিদা মিলা। ছবিটি পরিচালনা করেছেন সবুজ খান।




