বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ঢাকা

সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের শেষকৃত্য আজ

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৮:২৪ এএম

শেয়ার করুন:

সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের শেষকৃত্য আজ

কিংবদন্তী শিল্পী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের শেষকৃত্য আজ। তাকে পূর্ণ মর্যাদা দিয়ে বিদায় জানানোর সব প্রস্তুতি নিয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রশাসন। মঙ্গলবার প্রয়াত হন তিনি।

শিল্পীর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। জানিয়েছেন ‘গীতশ্রী’র চলে যাওয়া তার কাছে ‘ব্যক্তিগত ক্ষতি’। সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় সমন্ধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নানা স্মৃতিচারণায় উঠে আসে একাধিক বিষয়। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘অমি মনে করি উনি ভারতরত্ন।’


বিজ্ঞাপন


পশ্চিমবঙ্গ প্রশাসন জানিয়েছে, আজ বেলা ১২ টায় শিল্পীর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে রবীন্দ্র সদনে। সেখানে থাকবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। সেখানেই সঙ্গীত জগতের ‘ধ্রুবতারা’ সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কে তার গুণমুগ্ধরা শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন। তারপরই হবে শেষ যাত্রা। একেবারে শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় চিরবিদায় জানানো হবে।

পুরুষকণ্ঠের গানকে আধুনিক রূপ দিতে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় বা মান্না দে যে কাজটি করেছেন, নারী কণ্ঠে সেই কাজের সূচনা সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের হাত ধরে। যে কারণে এটা বলা অত্যুক্তি হবে না যে, বাংলা সঙ্গীতে মহিলা কণ্ঠের আধুনিকতার মূর্ত প্রতীক সন্ধ্যা। এত দিন যিনি ছিলেন সেই ইতিহাসের জীবন্ত দলিল হয়ে। সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণ সুতরাং আক্ষরিক অর্থেই যুগাবসান।

সন্ধ্যার বড় কৃতিত্ব নিঃসন্দেহে প্রত্যেকটি শৈলীর গান আপন ভাব অক্ষুণ্ণ রেখে নিবেদন করা। যে কারণে ‘এ শুধু গানের দিন’, ‘আমি যে জলসাঘরে’র মতো ফিল্মের গান কিংবা ‘দিবস রজনী, আমি যেন কার আশায় আশায় থাকি’-র মতো রবীন্দ্রসঙ্গীত তার কণ্ঠে সমান জনপ্রিয় হয়েছে। 

সন্ধ্যার জন্ম ৪ অক্টোবর ১৯৩১ সালে। দক্ষিণ কলকাতার ঢাকুরিয়ায়। নরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় এবং হেমপ্রভা দেবীর কন্যা ছিলেন ছয় সন্তানের মধ্যে কনিষ্ঠ। সন্ধ্যা নিজেই এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, তাঁদের বংশের আদি পুরুষ রামগতি মুখোপাধ্যায় বড় সঙ্গীতজ্ঞ ছিলেন। তাঁর পুত্র সারদাপ্রসাদও গান-বাজনার চর্চা করতেন। সারদাপ্রসাদের ছেলে সন্ধ্যার ঠাকুরদা। এঁরা প্রত্যেকেই উচ্চাঙ্গসঙ্গীত নিয়ে চর্চা করতেন। সন্ধ্যার বাবা নরেন্দ্রনাথ ছিলেন কৃষ্ণভক্ত। বাবার কাছেই প্রথম গান শেখা। সন্ধ্যাকে ভক্তিমূলক গান শেখাতেন তিনি। সন্ধ্যার মা-ও গান গাইতেন। নিধুবাবুর টপ্পা ছিল প্রিয়। মায়ের গানে মুগ্ধ হতেন সন্ধ্যা। জাতীয় পুরস্কারসহ বহু সম্মাননা পেয়েছেন এই কিংবদন্তী শিল্পী।


বিজ্ঞাপন


একে

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর