কিছুদিন আগে অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্বর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের পাশাপাশি চুক্তিভঙ্গের অভিযোগ আনে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আলফা আই। অভিনেতাকে পাঠানো হয় আইনি নোটিশ।
পরে প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টেলিপ্যাব) ও অভিনয় শিল্পী সংঘের হস্তক্ষেপে সমস্যার সমাধান হয়। সে সময় অপূর্বকে অগ্রিম অর্থ দ্রুত ফেরত দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। অপূর্বও কথা রাখেন। তার একদিন পর টেলিপ্যাব ও অভিনয় শিল্পী সংঘের মাধ্যমে পুরো টাকার চেক ফেরত দেন।
বিজ্ঞাপন
তবে কত টাকা বুঝে পেয়েছেন বা কত টাকা এই অভিনেতাকে দিতে হয়েছে, সেটা নিয়ে কেউ-ই মুখ খোলেননি। নাম প্রকাশ না করা শর্তে টেলিপ্যাব ও অভিনয় শিল্পী সংঘ সূত্রে জানা যায়, ১৪ লাখ টাকার বেশি গুনতে হয়েছে অপূর্বকে।
এর আগে অপূর্ব-আলফা আইয়ের মীমাংসার পর টেলিপ্যাব ও অভিনয় শিল্পী সংঘের এক যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, সাম্প্রতিক সময়ে জিয়াউল ফারুক অপূর্ব এবং প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আলফা আই স্টুডিওসের মধ্যকার সংঘটিত কাজের চুক্তিবিষয়ক যে জটিলতা তৈরি হয়েছিল, তাতে উভয় পক্ষই প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টেলিপ্যাব) ও অভিনয় শিল্পী সংঘের কাছে অভিযোগ করে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে ১৬ মার্চ ২০২৪ তারিখে দুই পক্ষের উপস্থিতিতে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত সভায় সবার কাছে এটাই প্রতীয়মান হয় যে, চুক্তি মোতাবেক উভয় পক্ষই পরিপূর্ণভাবে কার্য সম্পাদন করেনি। চুক্তি অনুযায়ী জিয়াউল ফারুক অপূর্ব ৯টি নাটকে অভিনয় করেছেন এবং বাকি নাটকগুলো উভয় পক্ষই আর না করার বিষয়ে একমত হয়েছে। সেক্ষেত্রে অপূর্বকে প্রদান করা বাকি যে নাটক বাবদ অগ্রিম অর্থ, তা উভয় পক্ষ সমন্বয় করে নেবে।
সেখানে আরও বলা হয়েছিল, উদ্ভূত ঘটনা কোনোভাবেই অর্থ আত্মসাৎ নয়, এটা চুক্তিবিষয়ক জটিলতা। পুরো বিষয়টি পারস্পরিক যোগাযোগ ও সমন্বয়হীনতার কারণে ঘটেছে।

