বুধবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৪, ঢাকা

বন্ধুদের নিয়ে আমরণ অনশনে বেরোবি শিক্ষার্থী

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৯ মার্চ ২০২৩, ০২:৪৫ পিএম

শেয়ার করুন:

বন্ধুদের নিয়ে আমরণ অনশনে বেরোবি শিক্ষার্থী

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী শামীমের প্রথম বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারে একটি ব্যবহারিক পরীক্ষায় ফেল করে দিলেও সেটা পরবর্তী সময়ে পাস দেখানো হয়। কিন্তু সম্মান চতুর্থ বর্ষে এসে আবার ফেল দেখানো হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদ এবং নতুন করে ফলাফলের দাবিতে প্রশাসনিক ভবনের নিচ তলায় বন্ধুদের নিয়ে আমরণ অনশন শুরু করেছেন ওই শিক্ষার্থী।

রোববার (১৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় প্রশাসনিক ভবনের নিচে আমরণ অনশনের ডাক দেন এই ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী।


বিজ্ঞাপন


ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী শামীম ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষের একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী। আইডি ১৭০২০২৬, রেজি. ০০০০০৯৭৮৩। তার  প্রথম বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের (ENG ১২০৬) ইন্ট্রোডাকশন টু কম্পিউটিং নামক একটি ব্যবহারিক কোর্সে তিনি ফেল করেন। তবে কর্তৃপক্ষ তাকে পাস দেখায়। পরে তিনি জানতে পারেন যে, তিনি ওই কোর্সে ফেল করেছেন। তাই পরবর্তী সময়ে রেজাল্টের উন্নতির জন্য পরীক্ষা দেওয়ার আশ্বাস দেন। কিন্তু তার বিভাগ এ ব্যাপারে কোনো সহযোগিতা করেনি বা পরীক্ষা নেয়নি। এতে সেই শিক্ষার্থীর সনদপ্রাপ্তিতে জটিলতা দেখা দেয়। তার রেজাল্ট জটিলতা দূরীকরণে বা রেজাল্ট পরিবর্তনের জন্য বন্ধুদের সাথে  নিয়ে ভিসি ও ছাত্র উপদেষ্টার কাছে যান শামীম। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। ফলে ওই শিক্ষার্থী আমরণ অনশন শুরু করেছেন। তার বন্ধুরা এ ঘটনায় বিক্ষোভ করেছেন। তারা আমরণ অনশনে শামীমকে সঙ্গও দিচ্ছেন।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী শামীম বলেন, আমি একজন নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান। পাঁচ বছর হয়ে গেল, আমি আমার রেজাল্ট পেলাম না। আমার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। যখন আমার বন্ধুরা চাকরি করছে, ঠিক সেই সময় আমি বঞ্ছনার শিকার হচ্ছি। আমি কোনো চাকরিতে আবেদন করতে পারছি না। আমাকে প্রথম বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারে প্রোমোটেড দেখিয়েও আজ আমার রেজাল্ট পেলাম না। আমি আমরণ অনশন শুরু করেছি। যতক্ষণ রেজাল্ট না পাই ততক্ষণ অনশন চালিয়ে যাবো।

ইংরেজি বিভাগের ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষের ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বন্ধু নিলয় বলেন, আমরা এতদিন এক সাথে ক্লাস করলাম, পরীক্ষা দিলাম, রেজাল্টও দিল, কিন্তু ফাইনাল পরীক্ষায় তার রেজাল্ট দিল না কেন? তাকে কেন পাঁচ বছর অনার্স শেষ করার পরও ইন্টারমিডিয়েটের শিক্ষার্থী বলা হবে। প্রশাসনের কাছে দাবি জানাই, এর একটা সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা  নিয়ে সুরাহা করুক। আমাদের দাবি একটাই, শামীম যেন নতুন করে ফলাফল পায়।

প্রতিনিধি/জেবি

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর