রোববার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

শূন্যপাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহির আওতায় আনার নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৩১ পিএম

শেয়ার করুন:

শূন্যপাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহির আওতায় আনার নির্দেশ
আ ন ম এহছানুল হক মিলন

এইচএসসি পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি কিংবা পাসের হার আশঙ্কাজনকভাবে কম এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এসব প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহির আওতায় আনতে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

রোববার (১ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এ নির্দেশনার কথা জানান তিনি।

পোস্টে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাসের হার শূন্য কিংবা আশঙ্কাজনকভাবে কম, সেসব প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহির আওতায় আনতে এক সপ্তাহের মধ্যে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

এর আগে শনিবার (৩১ অক্টোবর) ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, সারাদেশে ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। গত বছর শূন্যপাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২০২টি। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৯১টি। অন্যদিকে, এ বছর ১৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী পাস করেছে।

ফল প্রকাশের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন শূন্যপাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানকে কীভাবে সংশোধন করা যায়, তা নিয়ে ভাবা হবে। প্রয়োজনে পাশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শূন্যপাস করা প্রতিষ্ঠানগুলো একীভূত করা যায় কি না, সেটিও বিবেচনা করা হবে। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের চাকরি যাবে না।

এদিকে, শনিবার আন্তশিক্ষা সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানিয়েছিলেন, এসএসসি পরীক্ষায় শূন্যপাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে যে ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা রয়েছে, এইচএসসির ক্ষেত্রেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

তিনি বলেন, প্রথমবারের মতো শূন্যপাস করা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষকদের সতর্ক করার পাশাপাশি কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হবে। তবে একাধিকবার শূন্যপাস করা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের এমপিও বন্ধ হতে পারে। এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর সিদ্ধান্ত নিতে পারে। পাশাপাশি শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে এসব প্রতিষ্ঠানের ফল বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধান করা হবে।

এম/এএস

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর