২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলে দেখা গেছে হতাশাজনক চিত্র। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষায় অংশ নিয়েও উত্তীর্ণ হতে পারেননি প্রায় ছয় লাখ শিক্ষার্থী। এমন ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলেছে ইংরেজি ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়। অন্যান্য বিষয়ে পাসের হার সন্তোষজনক থাকলেও এই দুই বিষয়ে পিছিয়ে পড়ার কারণেই সামগ্রিক পাসের হারে বড় ধরনের ধস দেখা দিয়েছে।
প্রকাশিত ফলাফলে ইংরেজি ও আইসিটি বিষয়েই অকৃতকার্য হয়েছেন ৩ লাখ ৮২ হাজার ২১ জন। সব মিলিয়ে এবার পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, যা গত ২১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে প্রকাশিত বোর্ডভিত্তিক বিষয়ভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।
তথ্য অনুযায়ী, এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। আর ফেল করেছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন। এর মধ্যে শুধু ইংরেজি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়েই অকৃতকার্য হয়েছেন ৩ লাখ ৮২ হাজার ২১ জন।
তাদের মধ্যে ইংরেজি বিষয়ে ফেল করেছেন ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫২৮ জন এবং আইসিটিতে ফেল করেছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৯৩ জন।
এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, যা ২১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর চেয়ে কম পাসের হার সর্বশেষ ছিল ২০০৪ সালে। ওই বছর এইচএসসিতে পাস করেছিলেন ৪৭ দশমিক ৭৪ শতাংশ শিক্ষার্থী। এরপর এইচএসসিতে পাসের হার আর কখনো এর চেয়ে নিচে নামেনি।
সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফলের সারসংক্ষেপ তুলে ধরার সময় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ফেল করা পরীক্ষার্থীদের আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। যে শিক্ষার্থী যে কয়টি বিষয়ে ফেল করেছে, তাদের ফেল করা বিষয়গুলোতে পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।
এমআর




