রোববার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ঢাকা

১৮তম জুডিশিয়ারিতে সুপারিশপ্রাপ্ত ইবির ১৯ সিভিল জজকে সংবর্ধনা

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক, ইবি
প্রকাশিত: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫১ পিএম

শেয়ার করুন:

১৮তম জুডিশিয়ারিতে সুপারিশপ্রাপ্ত ইবির ১৯ সিভিল জজকে সংবর্ধনা

১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থেকে সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৯ জনকে সংবর্ধনা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। রোববার (২৫ অক্টোবর) আইন অনুষদের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. নাজিমুদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী ও রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান। এ ছাড়া আইন অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সুপারিশপ্রাপ্ত বিচারকেরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, ১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯ জন শিক্ষার্থী সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে আইন বিভাগ থেকে ১৪ জন, ল’ অ্যান্ড ল্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগ থেকে চারজন এবং আল-ফিকহ অ্যান্ড ল’ বিভাগ থেকে একজন রয়েছেন।

সংবর্ধনাপ্রাপ্ত বিচারকেরা তাদের বক্তব্যে বলেন, স্বপ্নের ক্যারিয়ার গড়তে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য, পরিকল্পনা ও রুটিন অনুযায়ী কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। একাধিকবার পরীক্ষার ফলাফলে নাম না এলেও নিজেকে ব্যর্থ মনে করা যাবে না। বরং স্বপ্ন ও বাস্তবতার মধ্যকার ঘাটতি চিহ্নিত করে তা পূরণের মাধ্যমে পরবর্তী প্রচেষ্টার জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। সময়ের অপচয় না করে পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার ওপরও তারা গুরুত্ব দেন।

তারা আরও বলেন, স্বপ্ন পূরণে ভালো বন্ধু নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য সমমনা, সমউদ্দেশ্য ও একই লক্ষ্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলা প্রয়োজন। প্রতিকূলতা ও সীমাবদ্ধতা জয় করে লক্ষ্যের প্রতি অবিচল থাকলে সফলতার পথে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্তির এ অর্জনে শিক্ষকদেরও অপরিসীম ভূমিকা রয়েছে। সুপারিশপ্রাপ্তদের ভবিষ্যৎ দায়িত্বের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তাদের সততা ও নিষ্ঠার পরিচয় দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মহান সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণ রেখে দায়িত্ব পালন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গঠনের পাশাপাশি আলোকিত ও ভালো মানুষ হওয়ার চেষ্টা করা উচিত। দায়িত্ব পালনে আইন সম্পর্কে জ্ঞানের পাশাপাশি মানবিকতা ও বিবেককে গুরুত্ব দিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ও নিজ বিভাগকে সব সময় উচ্চ মর্যাদায় তুলে ধরতে হবে।

প্রতিনিধি/এসএস

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর